গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘ঘৃণার রাজনীতি বাংলাদেশে আর চলবে না। জুলাইয়ের শহীদরা সারা দেশের মানুষকে এক সুতায় গেঁথেছিল। আবু সাঈদ বুকে গুলি নিয়ে সারা দেশে যে দাবানল সৃষ্টি করেছিল, সেই দাবানলকে আমরা যদি বুকে ধারণ করতে পারি তাহলে আগামীর বাংলাদেশ হবে জনগণের বাংলাদেশ।’
গতকাল বিকালে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষায় নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যে সমাবেশ ও শহীদি মার্চ অনুষ্ঠিত হয়। নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর কমিটি আয়োজিত ওই সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দলের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি।
তিনি বলেন, ‘পূর্বে আমরা দেখেছি মুষ্টিমেয় লোক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ধন-সম্পদ আহরণ করে। এখনো দেখছি ক্ষমতাকে ব্যবহার করে কেউ কেউ দখলদারত্ব চালাচ্ছে। কেউ চাঁদাবাজি প্রকাশ্যে করে, কেউ গোপনে ধন-সম্পদ আহরণ করে। ক্ষমতা ব্যবহার করে যে দেশে ধন-সম্পদ আহরণ করা যায় সে দেশের কোনো উন্নতি হয় না। জুলাই পরিষ্কার করে বলছে, এ দেশ জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার দেশ। জনগণের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দেশ। তাই এ দেশে ক্ষমতাকে ব্যবহার করে যে ধন-সম্পদ আহরণের প্রচেষ্টা করবে, তাদেরই প্রতিহত করতে হবে। জুলাই পরিষ্কার করে বলছে, ঘৃণার রাজনীতি আর বাংলাদেশে চলবে না। এ ঘৃণার রাজনীতির পরিবর্তে আমরা বৈষম্যহীন রাজনীতি চাই। আর এটাই হচ্ছে জুলাইয়ের রায়। তাই বলছি, কেউ শহীদদের চেয়ে বড় হইতে চাইবেন না। তাহলে তার পরিণতিও ভালো হবে না।’
গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজনের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাসের সঞ্চালনায় ওই সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর কমিটি এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের জেলা কমিটির নেতারা।









