নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে আটা-ময়দার দাম আরেক দফা কমেছে। দেশের বাজারে গমের দাম কমার কারণেই মূলত আটা-ময়দার বাজার নিম্নমুখী হয়ে পড়েছে। তবে দাম কমলেও বেচাকেনায় মন্দা চলছে।
নিতাইগঞ্জ ঘুরে দেখা যায়, বাজারে ভালো মানের আটা বেচাকেনা হচ্ছে (৫০ কেজির বস্তা) ১ হাজার ৮৫০ টাকা দরে, যা কেজি দরে বেচাকেনা হচ্ছে ৩৭ টাকা। একই মানের আটা দুই-তিন সপ্তাহ আগেও বস্তাপ্রতি বেচাকেনা হয়েছিল ১ হাজার ৯৫০ টাকা দরে। সে হিসাবে দাম কমেছে ১০০ টাকা। কিছুটা নিম্নমানের আটা বস্তাপ্রতি কেনাবেচা হচ্ছে ১ হাজার ৭৫০ টাকা দরে। এক সপ্তাহ আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ১ হাজার ৮৫০ টাকা দরে, সে হিসাবে বস্তায় দাম কমেছে প্রায় ১০০ টাকা। এছাড়া কেজি দরে বেচাকনা হচ্ছে ৩৫ টাকায়।
অন্যদিকে ভালো মানের ময়দা বেচাকেনা হচ্ছে (৫০ কেজি বস্তা) ২ হাজার ৬০০ টাকায়। এক মাস আগেও একই ময়দা বেচাকেনা হয়েছিল ২ হাজার ৭০০ টাকায়। সে হিসাবে বস্তাপ্রতি দাম কমেছে ১০০ টাকা। এটি কেজিপ্রতি বেচাকেনা হচ্ছে ৫২ টাকা দরে।
কিছুটা নিম্নমানের ময়দা বস্তাপ্রতি ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দুই সপ্তাহ আগেও দাম ছিল ২ হাজার ৬০০ টাকা। এটির কেজিপ্রতি দাম কমেছে ২ টাকা।
ব্যবসায়ীরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম কমেছে। সে কারণে দেশের বাজারেও শস্যটির দাম নিম্নমুখী। বাজারে ইউক্রেনের গম বেচাকেনা হচ্ছে মণপ্রতি ১ হাজার ৩২০ টাকায়। রাশিয়ার গম বেচাকেনা হচ্ছে মণপ্রতি ১ হাজার ৩৩০ টাকায়। এই গম এক-দেড় মাস আগেও বেচাকেনা হয়েছিল ১ হাজার ৪০০ টাকা দরে।
নারায়ণগঞ্জ আটা-ময়দা মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি শেখ ওয়াজেদ আলী বাবুল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম কমতির দিকে থাকায় দেশের বাজারে আটা-ময়দার দাম কমেছে। তবে দাম কমতির দিকে থাকলেও বাজারে বেচাকেনায় মন্দা চলছে।’
আটা-ময়দা ব্যবসায়ী শরীফ হোসেন জানান, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম অনেক বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু দুই-তিন মাস ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে গমের দাম কমতির দিকে থাকায় দেশের বাজারেও দাম কমেছে।










