নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে এক সপ্তাহের ব্যবধানে সব ধরনের ডালের দাম পাইকারিতে কেজিপ্রতি ৮-১০ টাকা বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম থাকায় ডালের দাম বাড়ছে। এদিকে পাইকারি দাম বাড়তি থাকায় খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে ১৫-২০ টাকা।

নিতাইগঞ্জে বিদাস রোডের ডালপট্টি ঘুরে দেখা যায়, বাজারে দেশী মসুর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ১১৭ টাকা কেজি দরে, যা এক সপ্তাহ আগেও ছিল ১১০ টাকা। সে হিসাবে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৭ টাকা।

ভারতের দিল্লি সুপার ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি দরে, যা কয়েকদিন আগে ছিল ১২২ টাকা। সে হিসাবে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৮ টাকা।

মোটা মসুর ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৯৫-৯৬ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮৫ টাকা। সে হিসাবে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ১০ টাকা।

ভাঙা মসুর ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৭৩ টাকা কেজি দরে, যা কিছুদিন আগেও ছিল ৬৮ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫ টাকা।

অ্যাংকর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৫৫ টাকা কেজি দরে, যা কয়েকদিন আগেও ছিল ৫১ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৪ টাকা। ছোলা বেচাকেনা হচ্ছে ৬৯ টাকা কেজি দরে, যা চার-পাঁচদিন আগে ছিল ৬৪ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ৫ টাকা।

বুটের ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৭৫ টাকা কেজি দরে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ৬৫ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ টাকা।

খেসারি ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৭৯ টাকা কেজি দরে, যা কয়েকদিন আগে ছিল ৭২ টাকা। সে হিসাবে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৭ টাকা। মুগডাল বেচাকেনা হচ্ছে ১০৫ টাকা কেজি দরে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫ টাকা। সে হিসাবে দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১০ টাকা।

নিতাইগঞ্জের ডাল ব্যবসায়ী নিতুল সাহা জানান, ডালের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে বড় মিলগুলো। তারা বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, এলসিসংক্রান্ত জটিলতা, ডলার সংকটসহ নানা কারণে ডালের দাম বেড়েছে।

নিতাইগঞ্জের ডাল ব্যবসায়ী বিকাশ সাহা জানান, দেশে যে ডাল চাষ হয় তা দিয়ে দেশের মানুষের এক-দুই মাস চলে। বাকি ডাল আমদানি করতে হয়। কয়েকদিন ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়েছে। যে কারণে কোম্পানিগুলোকে বেশি দামে আমদানি করতে হচ্ছে।