মুনাফা থেকে লোকসানে গেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড। চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি আয় ছিল ১৫ পয়সা। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তথ্য অনুসারে চলতি ২০২৪ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি আয় ছিল ১১ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে বাজারমূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৮ টাকা ৫৯ পয়সায়, ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে যা ১০ টাকা ২৮ পয়সা।

৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ হিসাব বছরের জন্য ইউনিটধারীদের জন্য আড়াই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ফান্ডটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি আয় হয়েছে ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৩ পয়সা। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির ইউনিটপ্রতি নিট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ৩৯ পয়সায়, বাজারমূল্যের ভিত্তিতে যা দাঁড়ায় ১০ টাকা ৩০ পয়সায়।

এর আগে ফান্ডটি ইউনিটহোল্ডারদের জন্য ২০২২ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১ দশমিক ২০ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করে। আলোচ্য সময়ে ফান্ডটির ইপিইউ হয়েছে ১৩ পয়সা। হিসাব বছর শেষে ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে ফান্ডটির এনএভিপিইউ দাঁড়িয়েছে ১০ টাকা ২১ পয়সায়, বাজারমূল্যের ভিত্তিতে যা দাঁড়ায় ১০ টাকা ১৩ পয়সায়।

২০২২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর পুঁজিবাজারে লেনদেন শুরু করে আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড। এর আগে ওই বছরের ২৮ জুন অনুষ্ঠিত বিএসইসির ৮২৯তম কমিশন সভায় মেয়াদি এ ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। সভা শেষে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কমিশন সভায় মেয়াদি আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ডের প্রসপেক্টাস অনুমোদন করা হয়েছে। ফান্ডটির লক্ষ্যমাত্রা ১০০ কোটি টাকা, যার মধ্যে উদ্যোক্তা হিসেবে ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড (সিএমএসএফ) ৫০ কোটি ও আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (আইসিবি এএমসিএল) ২০ কোটি টাকা দিয়েছে। এছাড়া ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) পূর্ব প্লেসমেন্টের ৫ কোটি টাকা দিয়েছে। বাকি ২৫ কোটি টাকা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আইপিওর মাধ্যমে উত্তোলন করা হয়েছে।