বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রশাসক মো. আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশনের ডেপুটি হেড অব মিশন ক্লিনটন পবকে।
বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থ এবং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে বিরাজমান বাণিজ্যের সুযোগ কাজে লাগানো, বিশেষ করে বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ার বাজারে পোশাক রফতানি বাড়াতে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়গুলো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।
বৈঠকে বিজিএমইএ প্রশাসক মো. আনোয়ার হোসেন এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জন্য অস্ট্রেলিয়ার শুল্কমুক্ত বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখার জন্য অস্ট্রেলিয়ার সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের পোশাক রফতানির জন্য একটি প্রতিশ্রুতিশীল বাজার। সুতরাং বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা সম্প্রসারিত করার এবং অংশীদারত্ব জোরদার করার বিশাল সুযোগ রয়েছে, যা উভয় দেশকে ব্যাপকভাবে উপকৃত করতে পারে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে সার্কুলার অর্থনীতি ব্যবস্থা প্রবর্তনের চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ, বিশেষ করে বিজিএমইএ ও পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কারখানাগুলোকে সহযোগিতা প্রদান এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি ব্যবসায়িক মডেল তৈরির মাধ্যমে টেক্সটাইল ওয়েস্ট বা ঝুটকে সম্পদে রূপান্তর করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিজিএমইএ প্রশাসক বলেন, পোশাক শিল্পে সার্কুলারিটি গ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের এগিয়ে থাকার সুযোগ রয়েছে। তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পে বর্জ্য রিসাইক্লিংয়ের ক্ষেত্রে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান।
তিনি অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ইনস্টিটিউটগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের পণ্য ও ডিজাইনের উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করার ব্যাপারে অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশনের সহযোগিতা কামনা করেন।
বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি হেড অব মিশন ক্লিনটন পবকে জানান, আগামী বছরের মাঝামাঝিতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ‘অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম’ শীর্ষক একটি ইভেন্ট আয়োজিত হচ্ছে, যেখানে বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারকরা নিজ নিজ পণ্য উপস্থাপন করার সুযোগ পাবেন। অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন এ ইভেন্ট আয়োজনে বিজিএমইএ থেকে সহযোগিতা চেয়েছে বলে জানান এই দূতাবাস কর্মকর্তা।
এ ব্যাপারে বিজিএমইএ প্রশাসক মো. আনোয়ার হোসেন বিজিএমইএ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।










