নেহায়েত ভুট্টাখেতের মাটিই খুড়ছিলেন তিনি।
কিন্তু শিগগিরই লাখ লাখ ডলারের মালিক বনে যাবেন, বুঝতেই পারেননি। যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকির
এক ব্যক্তির বেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
দ্য গার্ডিয়ান এক প্রতিবেদনে জানায়, ভুট্টাখেতের
মাটির নিচে ওই ব্যক্তি ৮০০টির বেশি স্বর্ণমুদ্রা পেয়েছে। শুধু ধাতুগত মূল্য নয়, ঐতিহাসিকতার
বিচারে মুদ্রাগুলো খুবই দামি। এই মুদ্রাগুলো তৈরি হয় আধুনিক যুক্তরাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা রাখা গৃহযুদ্ধের কাছাকাছি সময়ে।
গত ৯ জুন মুদ্রা বিষয়ক ওয়েবসাইট গভমিন্ট
অসাধারণ আবিষ্কারের ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করে। সেখানে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে ১, ১০ ও ২০ ডলারে
স্বর্ণের কয়েন গুণতে দেখা যায়।
ওয়েবসাইটে এই গুপ্তধনকে ‘গ্রেট কেনটাকি
হোর্ড’ উল্লেখ করে বলা
হয়, এই মুদ্রাগুলো ১৮৪০ থেকে ১৮৬৩ সালের মধ্যে তৈরি। যেখানে আরো রয়েছে ১৮৬৩ সালের গোল্ড
লিবার্টি ডাবল ঈগল।
এই মজুদের মধ্যে সবচেয়ে আশ্চর্যজনক আবিষ্কার
আঠারোটি ১৮৬৩-পি ২০ ডলারে গোল্ড লিবার্টি কয়েন, যা লিবার্টি সিরিজের অন্যতম বিরল মুদ্রা।
যার বাজার মূল্য এখন ছয়-অঙ্কের ঘরে।
দুষ্প্রাপ্য মুদ্রা ব্যবসায়ী ও মার্কিন
মুদ্রার বিশেষজ্ঞ জেফ গ্যারেট বেশ উত্তেজনার সঙ্গে এই মুদ্রগুলোকে ‘টাইম ক্যাপসুলেল’ তুলনা করেন।
মুদ্রাগুলো নড়াচড়া করার সুযোগ পাওয়াকে ক্যারিয়ারের অন্যতম ঘটনা বলে জানান তিনি। আরো
বলেন, জর্জিয়া-ভিত্তিক একটি টাকশালে মুদ্রাগুলো তৈরি হয়। এটি ১৮৩৮ থেকে ১৮৬১ সাল পর্যন্ত
চালু ছিল। এখানে শুধু সোনার কয়েন তৈরি হতো।
গভমিন্ট ডটকম অনুসারে, গোল্ড কয়েনগুলোর
দাম ৯৯৫ ডলার থেকে এক হাজার ২৯৫ ডলারের মধ্যে রাখা হয়েছে। আর লিবার্টিস কয়েনের দাম
গ্রাহকদের আগ্রহের ভিত্তিতে জানানো হবে।
প্রফেশনাল কয়েন গ্রেডিং সার্ভিসের মতে,
১৮৬৩ সালের গোল্ড লিবার্টি ডাবল ঈগল নিলামে তিন লাখ ৮১ হাজার ৮৭৫ ডলারে বিক্রির রেকর্ড
রয়েছে।










