ক্যান্সারের কথা শুনলেই মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। আমি ল্যাবএইডে কাজ করছি দুই-তিন বছর ধরে। তবে পঁচিশ বছর ধরে গাইনি ক্যান্সার নিয়ে কাজ করছি। মেয়েদের যতগুলো ক্যান্সার হয়, তার মধ্যে জরায়ুমুখের ক্যান্সার সবচেয়ে বেশি।

আমাদের দেশে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের হার অনেক বেশি। ক্যান্সারটি যেহেতু হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসের দ্বারা হয়, এর জন্য ভ্যাকসিন আছে। অনিয়মিত রক্তস্রাব ও অতিরিক্ত সাদা স্রাব হচ্ছে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের প্রধান দুটি লক্ষণ। ক্যান্সারটির চিকিৎসা বাংলাদেশে আছে। তবে ডেডিকেটেড ক্যান্সারের চিকিৎসা বাংলাদেশে বেসরকারিভাবে একমাত্র ল্যাবএইড ক্যান্সার হসপিটালই দিয়ে থাকে। সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের অপারেশন থিয়েটারের মতো একই মানের অপারেশন থিয়েটার এখানে। চিকিৎসা অত্যাধুনিক। সার্জারির পরের চিকিৎসা হিসেবে কেমোথেরাপি ও রেডিওথেরাপি পুরোপুরি এখানে আছে। একই হসপিটালে ক্যান্সারের রোগীর সব চিকিৎসা। এখানে যারা কাজ করেন তারা ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসা নিয়ে অভিজ্ঞ। একটা ক্যান্সার রোগীর অনেক রকম সাপোর্ট দরকার। রোগীর সঙ্গে মানুষ আছে, তাদের থাকার ব্যবস্থা হসপিটাল কিন্তু পাশেই করে দিয়েছে অপরাজয়ী নামে। সেদিক দিয়ে ক্যান্সার রোগীর শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার যত রকম ব্যবস্থা থাকা দরকার, সে লক্ষ্যেই ল্যাবএইড কাজ করছে।