বর্তমানে আমরা যখন দেশের অর্থনীতিতে কাঠামোগত সংস্কার, খেলাপি ঋণের লাগাম টানা, আমানতকারীদের সুরক্ষা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করছি, তখন দেশের ‘‌এএএ’ রেটিং প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদান ও প্রাসঙ্গিকতা সবচেয়ে বেশি।

ক্রেডিট রেটিংয়ে সর্বোচ্চ মান অর্জন করা কেবল কোনো প্রতিষ্ঠানের সাময়িক মুনাফা বা ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির সূচক নয়। এটি মূলত কঠোর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও কমপ্লায়েন্স অনুসরণ, আইএফআরএস-৯-এর আলোকে যথাযথ প্রভিশনিং ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং সর্বোপরি প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের এক অনন্য স্বীকৃতি। আর্থিক খাতের সামগ্রিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও যেসব প্রতিষ্ঠান সুদৃঢ় মূলধন ভিত্তি ধরে রেখে এ সর্বোচ্চ রেটিং বজায় রাখতে পেরেছে, তারা প্রমাণ করেছে যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখে চললে যেকোনো প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবেলা করা সম্ভব।

আমাদের সরকারের মূল লক্ষ্য আর্থিক খাতে শতভাগ শৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করা। আমরা দুর্বল প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি যারা সততা, দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করছে, তাদের নীতিগত সহযোগিতা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এবং সাধারণ গ্রাহক ও বিনিয়োগকারীদের মনে আস্থার সংকট দূর করতে এ শীর্ষ রেটিংধারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেই ফ্রন্টলাইনার বা পথপ্রদর্শক হিসেবে ভূমিকা রাখতে হবে, যা দেশের আর্থিক খাতের সামগ্রিক ক্ষত নিরাময়ে এবং অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে সুশাসনের পথে হাঁটতে উদ্বুদ্ধ করবে।