চিপ সংকটের কারণে বর্তমানে বিভিন্ন দেশ নিজস্ব উৎপাদনে মনোযোগী হচ্ছে। অন্যদিকে চীনের ওপর নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক কোম্পানি বিশ্বের অন্যান্য দেশে কারখানা স্থাপন করতে চাইছে। ইন্টেলের কারখানা স্থাপনে আর্থিক সহায়তার কথা জানিয়েছিল জার্মানি। সম্প্রতি দেশটির চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজ আরো বিনিয়োগ করার বিষয়ে জানিয়েছেন। খবর রয়টার্স।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এমন শিল্প খাতে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চায় ইউরোপ। এমন পরিস্থিতিতে জার্মানির ঘোষণা অনেকটাই আশার বাণী।
দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বুন্দেসট্যাগের কাছে ইন্টেল ও ইনফিনিওনের প্রকল্পগুলোর কথা জানান শুলজ। জার্মানির নিজস্ব ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের প্রকল্পের বিষয়ে অবগত থাকার কথাও জানান তিনি। শপথ করে তিনি জানান, জার্মানির উদ্যোগের কারণে সেমিকন্ডাক্টর পাওয়ার জন্য কোম্পানিগুলোকে অন্য অঞ্চলের ওপর আর নির্ভরশীল থাকতে হবে না। এর আগে চীন কম্পিউটার চিপ উৎপাদনে ব্যবহৃত দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাতু রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়।
চীনের আকস্মিক এ ঘোষণায় বিভিন্ন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা করছে। চিপ উৎপাদনে ব্যবহৃত গ্যালিয়াম ও জার্মেনিয়াম আমদানিতে অন্যতম শীর্ষ দেশ হচ্ছে জার্মানি। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে চীননির্ভরতা কমাতে ঐক্যবদ্ধ জার্মানি। বিশ্লেষকদের ধারণা, চীনের রফতানি নিষেধাজ্ঞার পরই হয়তো জার্মানি এ উদ্যোগ নিয়েছে। শুলজ বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ বুঝতে পেরেছে যে আমাদের স্থিতিশীল হতে হবে। সেই সঙ্গে এমন কিছু শিল্প খাত রয়েছে যেগুলোর অব্স্থান ইউরোপ ও জার্মানিতে হওয়া উচিত।’
অন্যদিকে জার্মানিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করতে তাইওয়ানের টিএসএমসি ও সুইডেনের বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি উৎপাদনকারী নর্থভোল্টের সঙ্গে আলোচনা করছে বার্লিন। ইউরোপে প্রথম গিগাফ্যাক্টরি তৈরিতে টেসলাকে রাজিও করিয়েছে দেশটি।










