স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষতিকর কনটেন্ট সরানোর জন্য বিদেশী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের কথা জানিয়েছে ভিয়েতনাম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ। সম্প্রতি দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। খবর রয়টার্স।
মেটার ফেসবুক, গুগলের ইউটিউব ও টিকটকের কাছে ভিয়েতনাম দীর্ঘদিন থেকে ক্ষতিকর, আক্রমণাত্মক, মিথ্যা ও দেশবিরোধী কনটেন্ট সরাতে একত্রে কাজ করার কথা জানিয়ে আসছে। দেশটির রাষ্ট্রমালিকানাধীন ভিয়েতনাম টেলিভিশন জানায়, প্রথমবারের মতো কনটেন্ট অপসারণে এআই ব্যবহারের এ ঘোষণা দিল ভিয়েতনাম। তবে কবে থেকে ও ক্রস বর্ডার প্লাটফর্মগুলো কীভাবে নিয়ম মেনে চলবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
দেশটির তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালের প্রথম ছয় মাসে সরকারি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুক প্লাটফর্ম থেকে ২ হাজার ৫৪৯টি পোস্ট অপসারণ করেছে। অন্যদিকে ইউটিউব ৬ হাজার ১০১টি ভিডিও এবং টিকটক ৪১৫টি লিংক অপসারণ করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এআই ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা প্রণয়ন করতে চাইছে। ফলে ক্রমবর্ধমান এ প্রযুক্তির ওপর নজরদারি আরোপিত হবে। এমন উদ্যোগের পরই নতুন ঘোষণাটি প্রকাশ্যে এল। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ভিয়েতনাম সরকার বেশকিছু নীতিমালা প্রণয়ন করেছে, যার মধ্যে সাইবারনিরাপত্তা আইনও রয়েছে। যেটির আওতায় ভুয়া সংবাদের বিস্তার বন্ধে বিদেশী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করা এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে অফিস ও ডাটা সেন্টার স্থাপনের জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে।










