ইন্টারনেট ব্যবহারে নিত্যসঙ্গী চ্যাটজিপিটি ও জেমিনির মতো এআই চ্যাটবট। তবে যত বেশি এআই চ্যাটবটের ব্যবহার বাড়ছে, তথ্য বেহাত হওয়ার ঝুঁকিও তত বাড়ছে। এজন্য কিছু তথ্য এআই চ্যাটবটে না দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়—

আর্থিক বিবরণী

আর্থিক বিষয়সহ সব ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম এআই চ্যাটবট। উত্তর দিতে অসমর্থ হলে তাও জানিয়ে দেয় প্রযুক্তিটি। এসব কারণে এক ধরনের বিশ্বাস কাজ করতে পারে। তবে এখানে কখনই নিজের আর্থিক বিবরণী শেয়ার করা নিরাপদ নয়। প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে যেহেতু তথ্য সংরক্ষিত থাকে, এ অবস্থায় স্পর্শকাতর তথ্য হাকিংয়ের শিকার হলে স্প্যামারদের হাতে পড়ে অর্থ খুঁইয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ চিন্তাভাবনা

শারীরিক ও মানসিকসহ ব্যক্তিজীবনের নানা বিষয় আমরা ইন্টারনেটে সার্চ করি। চ্যাটবটগুলো সেসব জিজ্ঞাসা বা জানতে চাওয়া পরামর্শ আরো সহজ করেছে। পেশাদার ব্যক্তির কাছে যাওয়ার আগে অনেকে নিজে থেকে বেশকিছু বিষয় চেষ্টা করেন, তা হতে পারে থেরাপি। চ্যাটবট যেহেতু শতভাগ নির্ভুল কিছু নয়, সেক্ষেত্রে ভুল উত্তর বা পরামর্শ আসতে পারে। অন্যদিকে ব্যক্তিগত ও অন্তরঙ্গ চিন্তাভাবনা অনলাইনে সংরক্ষিত থাকছে। যেসব অন্যের হাতে চলে গেলে নিজের প্রাইভেসিও নষ্ট হবে।

কর্মক্ষেত্রের গোপনীয় তথ্য

পেশাজীবনে এগিয়ে থাকতে দ্রুত কাজ সম্পাদনে এআই যথেষ্ট কার্যকর। তবে ঠিকঠাক যাচাই না করেই অফিসের গোপনীয় তথ্য চ্যাটবটে ইনপুট দেয়া বিপদের কারণ হতে পারে। এ কারণে অ্যাপল, স্যামসাং ও গুগলের মতো টেক জায়ান্টগুলোর কর্মক্ষেত্রে চ্যাটবট ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

পাসওয়ার্ড ও ব্যক্তিগত তথ্য

শুধু চ্যাটবট নয়, অনলাইন বা অফলাইন যেকোনো পরিস্থিতিতেই পাসওয়ার্ড ও নিজের ঠিকানার মতো স্পর্শকাতর তথ্য ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২২ সালে চ্যাটজিপিটির বড় ধরনের তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটে। সেজন্য চ্যাটবটে কিছু শেয়ার করার ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ড ও ব্যক্তিগত তথ্য যাচ্ছে কিনা তা দেখে নেয়া জরুরি।

মেকইউজঅব অবলম্বনে