ফেসবুকে স্প্যাম কনটেন্ট ছড়ানো অ্যাকাউন্টগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে প্লাটফর্মটির প্যারেন্ট প্রতিষ্ঠান মেটা। সম্প্রতি এক ঘোষণায় মেটা জানিয়েছে, হ্যাশট্যাগ ভরপুর পোস্ট কিংবা ছবির সঙ্গে সম্পর্কহীন ক্যাপশনের মাধ্যমে অ্যালগরিদমকে ধোঁকা দিয়ে আর আয় করা যাবে না। খবর দ্য ভার্জ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অপ্রাসঙ্গিক দীর্ঘ ক্যাপশন ও অতিরিক্ত হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা পোস্টগুলোর মনেটাইজেশন বন্ধ করে দিয়ে কনটেন্ট শুধু ফলোয়ারদের দেখানো হবে বলেও জানিয়েছে মেটা। এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘স্প্যামি কনটেন্ট মানুষের মত প্রকাশের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই যারা কৃত্রিমভাবে পোস্টের প্রচার ও আয় বাড়াতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।’
মেটার মতে, ফলোয়ার বাড়াতে কিছু ব্যবহারকারী একই পোস্ট ছড়িয়ে দিতে শত শত অ্যাকাউন্ট তৈরি করে। এসব ব্যবহারকারীর পোস্ট এখন থেকে মুছে দেয়া হতে পারে। সেই সঙ্গে অ্যাকাউন্টগুলোকে আয় থেকেও বঞ্চিত করা হবে। এছাড়া কোনো মন্তব্য মিথ্যা বা সাজানো শনাক্ত হলে সেগুলোর দৃশ্যমানতাও কমিয়ে দেয়া হবে।
মেটা আরো জানিয়েছে, পরীক্ষামূলকভাবে ফেসবুকে একটি ফিচার চালু করা হয়েছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা জানাতে পারবে কোন মন্তব্য অপ্রয়োজনীয় বা অর্থহীন। পেজ মালিকদের জন্য একটি নতুন মডারেশন টুল এনেছে মেটা। ফলে যেসব মন্তব্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট বা অন্য কারো নাম ব্যবহার করে করা হয়েছে, সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আড়াল করা যাবে।
মেটার এ পদক্ষেপ মূলত ভিউ আর আয় বাড়াতে ‘অনৈতিক’ কৌশলের ব্যবহার ঠেকাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।










