কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে (সিএইচওজিএম ২০২৬) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। সম্মেলনে তিনি পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা, ক্ষমতা ও প্রটোকল সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।

আজ রোববার সকালে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তিনি। দুবাই ও লন্ডন হয়ে তার সেন্ট জনসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। চার দিনব্যাপী কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠক শুরু হচ্ছে আজ, চলবে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত।

সফরকালে হুমায়ুন কবির সম্মেলনের উদ্বোধনী ও নির্বাহী অধিবেশনে অংশ নেবেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের একাধিক বৈঠক এবং বিভিন্ন দেশের মন্ত্রীদের সঙ্গে কয়েকটি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেও অংশ নেয়ার কথা রয়েছে তার। এসব বৈঠকে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ অক্টোবর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে কমনওয়েলথ বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেয়া এবং সম্মেলনকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের জন্য হুমায়ুন কবিরকে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা, ক্ষমতা ও প্রটোকল সুবিধা দেয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনীর সই করা প্রজ্ঞাপনে ১৯৯৬ সালের কার্যবিধিমালার ৪(৩) ধারার ক্ষমতাবলে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়।

এবারের সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘সমৃদ্ধ কমনওয়েলথের জন্য অংশীদারত্ব ও বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করা’। এতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অংশীদারত্ব জোরদার, টেকসই বিনিয়োগ উৎসাহিত করা এবং জলবায়ু সহনশীলতা, বাণিজ্য, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নসহ অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। আফ্রিকা, এশিয়া, ক্যারিবীয় অঞ্চল, আমেরিকা, ইউরোপ ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৫৬টি দেশ নিয়ে গঠিত কমনওয়েলথের এ সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক আয়োজনে সরকারপ্রধান, মন্ত্রী ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।