ফেসবুকে অন্যের লেখা, ছবি বা ভিডিও হুবহু কপি করে যারা অর্থ আয় করছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে মেটা। খবর টেকক্রাঞ্চ।
প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি জানিয়েছে, ‘অরিজিনাল নয়’ এমন কনটেন্ট নিয়মিত শেয়ার করা অ্যাকাউন্টগুলোকে আয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে তাদের পোস্টের রিচও কমিয়ে দেয়া হবে।
মেটা বলছে, কনটেন্ট চুরি করে যারা জনপ্রিয়তা বা অর্থ আয় করতে চাইছেন, তাদের থামাতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ভুয়া প্রোফাইল সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এসব প্রোফাইল মূল নির্মাতাদের নাম ব্যবহার করে প্রতারণা করে আসছিল। এছাড়া আরো পাঁচ লাখ অ্যাকাউন্টকে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা স্প্যাম বা ভুয়া এনগেজমেন্টে যুক্ত ছিল। এসব অ্যাকাউন্টে কমেন্ট সীমিত, পোস্টের বিস্তার কমানোসহ আয়ের সুযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
মেটার নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, যারা কনটেন্টে নিজের মতামত, প্রতিক্রিয়া বা ব্যাখ্যা যুক্ত করছেন, তারা এর আওতায় পড়বেন না। কিন্তু যারা একেবারে হুবহু কপি করে অন্যের ভিডিও বা পোস্ট চালাচ্ছেন, বিশেষ করে স্প্যাম অ্যাকাউন্ট বা ছদ্মনামে পরিচালিত পেজগুলোর জন্যই এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
মেটা জানিয়েছে, এখন থেকে হুবহু কপি করা কনটেন্টে মূল নির্মাতার ‘অরিজিনাল লিংক’ যুক্ত করে দেয়া হবে, যাতে দর্শক মূল সোর্সে যেতে পারেন।
তবে এ নিয়মগুলো ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে। ব্যবহারকারীরা চাইলে ফেসবুকের প্রফেশনাল ড্যাশবোর্ড থেকে নতুন ইনসাইট ফিচার ব্যবহার করে কনটেন্ট কম ছড়ানোর কারণ জানতে পারবেন। এ বছরের জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত সময়ে মেটা এক বিলিয়নের বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে, যা মোট ব্যবহারকারীর প্রায় ৩ শতাংশ। তবে অনেক ব্যবহারকারী অভিযোগ করছেন, অটোমেটেড নীতির ভুল প্রয়োগে তাদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে মেটা যুক্তরাষ্ট্রে ‘কমিউনিটি নোটস’ নামে ব্যবহারকারীভিত্তিক যাচাই ব্যবস্থা চালু করেছে। এটি এক্সের (সাবেক টুইটার) মতো মডেলে কাজ করে।










