গত অক্টোবরে লঞ্চ হওয়া শাওমি ১৫ ও ১৫ প্রো এখন চীনে ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের তালিকায় শীর্ষে। যদিও অনেক ব্র্যান্ড অক্টোবর ও নভেম্বরে নতুন অনেক মডেল উন্মোচন করেছে, তবে শাওমি সবচেয়ে বেশি অ্যাক্টিভেশন সংখ্যা (কেনার পর ডিভাইস সক্রিয় করা) নিয়ে এগিয়ে রয়েছে। খবর গিজচায়না।
গত ১৮-২৪ নভেম্বরের তথ্যানুযায়ী, শাওমি ১৫ সিরিজে ১৩ লাখ অ্যাক্টিভেশন হয়েছে। তুলনামূলকভাবে দ্বিতীয় স্থানে থাকা মডেলের অ্যাক্টিভেশন সংখ্যা ছয়-সাত লাখের মধ্যে ও তৃতীয় স্থানে থাকা মডেলটি প্রায় আড়াই লাখ অ্যাক্টিভেশন হয়েছে। এ সংখ্যা ডিভাইসের ব্যবহার নির্দেশ করছে, বিক্রি নয়। অর্থাৎ যেসব ফোন এখনো বক্সে রাখা, এক্ষেত্রে সেগুলো গণনা করা হয়নি। তবে প্রযুক্তিবিদদের মতে, অব্যবহৃত ফোনের সংখ্যা খুবই কম হবে।
যদিও দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের নাম প্রকাশ করা হয়নি, তবে প্রযুক্তিসংশ্লিষ্টদের মতে, এ তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে অপো ও ভিভো। চীনা ব্যবহারকারীরা দুটি ব্র্যান্ডকে প্রায়ই ‘ওভি’ বলে ডাকে। এ তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে অনরের ম্যাজিক সেভেন।
গিজচায়না বলছে, অপো ফাইন্ড এক্স৮-এর বিক্রি ফাইন্ড এক্স৮ প্রো-এর তুলনায় পাঁচ গুণ বেশি। দুটি মডেল নিয়ে কোম্পানিটি এ প্রতিযোগিতায় ছিল, আর ভিভোর ছিল এক্স২০০, এক্স২০০ প্রো ও এক্স২০০ প্রো মিনি।
শাওমির এ সফলতার পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন প্রযুক্তিবিদরা। এর মধ্যে আছে ১৫ সিরিজের হাই স্পেসিফিকেশন, স্লিক ডিজাইন ও প্রতিযোগিতামূলক মূল্যের সমন্বয়। এতে আছে আপগ্রেডেড ক্যামেরা ও বড় ব্যাটারি। পেছনে আছে ত্রিপল ক্যামেরা-অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশনসহ ৫০ মেগাপিক্সেল লাইট ফিউশন ৯০০ সেন্সর, ৫০ মেগাপিক্সেল টেলিফটো ক্যামেরা ও ৫০ মেগাপিক্সেল আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল শুটার। এছাড়া আছে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।
প্রযুক্তিসংশ্লিষ্টরা বলছেন, যারা সাশ্রয়ী, কিন্তু ভালো স্পেসিফিকেশনের স্মার্টফোনের খোঁজ করে, তাদের জন্য এটি একটি সেরা বিকল্প। শাওমির সফটওয়্যার আপডেটের শক্তিশালী সুনামও এ সফলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।










