যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীদের ওপর নজরদারির অভিযোগে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্বাক্ষরিত আইনের মাধ্যমে ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক দেশটিতে নিষিদ্ধ হতে পারে। আইনে বলা আছে, আগামী জানুয়ারির মধ্যে প্লাটফর্মটি বিক্রি করতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপটি নিষিদ্ধ করা হবে। নিষেধাজ্ঞা এড়াতে শেষ আইনি লড়াই শুরু করেছে টিকটক। সোমবার একটি ফেডারেল আদালতে আইন স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে বাইটডান্স মালিকানাধীন কোম্পানিটি। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানোর দাবি করেছে টিকটক। এতে তারা সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করার সময় পাবে। খবর এনগ্যাজেট।
সর্বশেষ চ্যালেঞ্জে পরাজয়ের মাত্র তিনদিন পর আইনটি স্থগিত চেয়ে আবেদন করল টিকটক। আইনটি কার্যকর হবে আগামী ১৯ জানুয়ারি থেকে। এক্ষেত্রে অ্যাপ বিক্রি করতে না পারলে যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপ স্টোর ও ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান থেকে প্লাটফর্মটি ব্লক করা হবে। আপিল আদালতের তিনজন বিচারক বলেছেন, ‘টিকটককে বিশেষভাবে টার্গেট করার পেছনে মার্কিন সরকারের জাতীয় নিরাপত্তার জোরালো কারণ রয়েছে।’
টিকটকের দাবি, আইনটি অসাংবিধানিক এবং এটি অন্যায়ভাবে প্লাটফর্মের পরিষেবার ওপর নির্ভর করে এমন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। টিকটক সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যদি টিকটক ব্যান থামানো না যায় তবে অ্যাপটির ওপর নির্ভরশীল ছোট ব্যবসাগুলো এক মাসে ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি হারাতে পারে। পাশাপাশি একই সময়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা প্রায় ৩০ কোটি ডলার আয় থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।’
ফেডারেল আদালতে আবেদন করার সময় টিকটক বলেছে, নবনির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাপটি ‘রক্ষা’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আইনটি স্থগিত করা গেলে নতুন প্রশাসন পুরো বিষয় পর্যালোচনা করার সময় পাবে।
আইন স্থগিতের আবেদন যদি ফেডারেল আদালত গ্রহণ না করে তাহলেও টিকটকের সম্ভাবনা শেষ হয়ে যাচ্ছে না। কারণ সুপ্রিম কোর্ট যদি মামলা গ্রহণ করে তাহলে আইনটি স্থগিতের সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে।










