ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে পাঁচ বছর আগে ‘রিলস’ শব্দটির সঙ্গে পরিচিত হয় সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা। জনপ্রিয়তা ও চাহিদার ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে ফিচারটি ফেসবুক, টিকটক ও শর্ট-ভিডিও নামে ইউটিউবেও যুক্ত হয়।
৯০ সেকেন্ডের ছোট ভিডিওকে সাধারণত রিলস বলা হয়। তবে চাইলে ৩ মিনিট দৈর্ঘ্য পর্যন্ত ভিডিও আপলোড করা যায় ইনস্টাগ্রাম রিলসে। এসব ভিডিওতে মিউজিক, ফিল্টার ও নানা রকম এডিটিং ইফেক্ট ব্যবহার করা যায়। সার্চ করলে সহজে সামনে চলে আসা এবং শেয়ার করার সুবিধায় রিলস দ্রুত অনেক দর্শকের কাছে পৌঁছে যায়।
মেটার এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিন ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকে ২০০ বিলিয়ন বা ২০ হাজার কোটির বেশি রিলস দেখা হয়। সংখ্যাটি গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণ। অর্থাৎ ডিজিটাল বিনোদনের জগতে দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ফিচারটি।
চলতি বছরের হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, প্রতি মাসে ২০০ কোটির বেশি ব্যবহারকারী ইনস্টাগ্রাম রিলস দেখে। ফলে প্লাটফর্মের অন্যতম মূল আকর্ষণে পরিণত হয়েছে ফিচারটি। শুধু নির্মাতাদের জন্য নয়, ব্র্যান্ড প্রচারের জন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছেও গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে স্বল্প দৈর্ঘ্যের ভিডিও। ডাটা বিশ্লেষণ প্লাটফর্ম ডিমান্ডসেইজের তথ্যানুযায়ী, ইনস্টাগ্রাম রিলসের সবচেয়ে বড় বাজার ভারত। দেশটিতে প্লাটফর্ম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৮ কোটির বেশি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ১৬ কোটি ও ব্রাজিলে ১৩ কোটির বেশি। ২০২০ সালে টিকটক নিষিদ্ধ হওয়া, সাশ্রয়ী ইন্টারনেটের প্রসার এবং ভারতের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এ প্রবৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। দেশটিতে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় কনটেন্ট নির্মাতা ও দর্শক উভয়ের জন্যই রিলস একটি অবশ্যকীয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে।










