সৃষ্টিশীল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা জেনারেটিভ এআইয়ের ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে ক্লাউড পরিষেবার চাহিদাও বাড়ছে। এ চাহিদাকে মাথায় রেখে এরই মধ্যে যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ডাটা সেন্টারের সক্ষমতা বাড়িয়েছে মাইক্রোসফট। এবার স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলে নজর দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্টটি।
টেকটাইমসে প্রকাশিত খবরের তথ্যানুযায়ী, সুইডেনে ক্লাউড পরিষেবা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবকাঠামো তৈরিতে আগামী দুই বছরে ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড স্মিথ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ ঘোষণা দেন।
সুইডেনের স্যান্ডভাইকেন, গ্যাভল ও স্ট্যাফেনস্টর্প শহরে মাইক্রোসফটের ডাটা সেন্টার রয়েছে। ঘোষিত বিনিয়োগের আওতায় ডাটা সেন্টারগুলোয় ২০ হাজার গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (জিপিইউ) যুক্ত করা হবে। এছাড়া সক্ষমতা বাড়াতে মাইক্রোসফটের
নিজস্ব চিপ ছাড়াও এভিডিয়া ও এএমডির চিপ ব্যবহার করা হতে পারে। এর ফলে জটিল জেনারেটিভ এআই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার আরো সহজ হবে। ডাটা সেন্টারে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য এরই মধ্যে সুইডেনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ভ্যাটেনফলএবির সঙ্গে চুক্তি করেছে মাইক্রোসফট। এর মাধ্যমে ১ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ পেতে যাচ্ছে তারা।
সুইডেন ছাড়াও ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও নরওয়েতে এআই ব্যবহারকে উৎসাহিত করছে মাইক্রোসফট। ল্যার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেলকে প্রশিক্ষিত করতে প্রধান প্রধান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন দেশে ডাটা সেন্টার স্থাপন করছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আর্থিক পরিষেবা প্রতিষ্ঠান বলছে, এর ফলে এআইয়ের আর্থিক মূল্যায়ন ১ ট্রিলিয়ন ডলারে দাঁড়াবে।










