হজরত নিজামউদ্দিন আউলিয়ার মাজার জিয়ারত করে ফিরছেন মোগল সম্রাট আকবর। একটি মসজিদের পাশ দিয়ে সপারিষদ যাচ্ছিলেন তিনি। হঠাৎ একটি তীর এসে তার এক অনুচরকে আঘাত করে। আঘাত তেমন গুরুতর নয়। সম্রাটের দেহরক্ষীরা এক হাবশি ক্রীতদাসকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে। সম্রাটকে হত্যা করাই ছিল তার উদ্দেশ্য। কিন্তু লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তীর গিয়ে লাগে অনুচরের গায়ে।
ঘটনাস্থলে অবস্থিত মসজিদটির নাম ‘খায়রুল মানাজিল’। মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন সম্রাট আকবরের দুধমা মাহাম আঙ্গা। ঐতিহাসিকদের মতে, খায়রুল মানাজিল মসজিদের আগের নাম ছিল ‘মাদ্রাসা খায়রুল মানাজিল’। মাদ্রাসা হিসেবেই এটি সুপরিচিত ছিল। এর দালানগুলো শ্রেণীকক্ষ হিসেবে ব্যবহার হতো। সম্পূর্ণ স্থাপনাটি উঁচু দেয়াল দিয়ে ঘেরা। এ কারণে অনেকেই ধারণা করেন, এটি মূলত নারীদের মাদ্রাসা ছিল। ১৫৬১ সালে নির্মিত মসজিদটি বর্তমানে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষণে আছে।
মানাজিল শব্দটি বহুবচন। আরবি শব্দটির একবচন মনজিল। সফরের ক্ষেত্রে যাত্রাবিরতির নির্ধারিত স্থান বোঝাতে সাধারণত মনজিল শব্দটি ব্যবহার হতো। পরবর্তী সময়ে আবাসস্থল বোঝাতেও এ শব্দের প্রচলন শুরু হয়। সুতরাং খায়রুল মানাজিলের বাংলা হতে পারে ‘সর্বশ্রেষ্ঠ আবাসস্থল’। মসজিদের প্রধান খিলানে একটি ফলক আছে। সেখানে খায়রুল মানাজিলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মাহাম আঙ্গার নাম উল্লেখ আছে। সহযোগী হিসেবে লেখা আছে শিহাবউদ্দিন আহমদ খানের নাম। তিনি সে সময় দিল্লির প্রশাসক ছিলেন। ক্ষমতাধর এ মোগল সভাসদ মাহাম আঙ্গার সঙ্গে আত্মীয়তার বন্ধনে আবদ্ধ ছিলেন। খায়রুল মানাযিল মসজিদ নির্মাণের দায়িত্ব তার হাতে দিয়েছিলেন মাহাম আঙ্গা।
দ্বিতল মসজিদটি দিল্লির পুরানা কিল্লার প্রধান তোরণের ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত। আয়তাকার একটি চত্বরের তিন পাশে দ্বিতল দালানগুলো অবস্থিত। চত্বরের পশ্চিম পাশে মসজিদটি অবস্থিত। এটি আয়তাকার হলেও এর প্রান্তগুলোর মধ্যে বৈচিত্র্য আছে। উত্তর-পূর্ব প্রান্ত অসমানভাবে প্রসারিত। আর দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত গোল করে কাটা। প্রান্তগুলোয় অনেক অষ্টভুজাকার মিনার আছে। মিনারগুলোর নিচের দিকে উভয় পাশে ফাঁকা। আর ওপরের অংশে অষ্টভুজাকার কুঠরি আছে। উঁচু সীমানা দেয়ালে ছোট ছোট খিলানযুক্ত জানালা আছে। তবে স্থাপনাটি বর্তমানে সম্পূর্ণ অক্ষত নেই। ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিচর্যা সত্ত্বেও কালের করাল গ্রাস থেকে রেহাই পায়নি এটি। সিপাহি বিদ্রোহের সময়ও বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল খায়রুল মানাজিল। তখন কয়েকজন বিদ্রোহী এর ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। ব্রিটিশরা খবর পাওয়ামাত্র এর দিকে কামান তাক করে। গোলার আঘাতে স্থাপনাটির কিছু অংশ ধসে যায়। সেসব ধ্বংসাবশেষসহকারে দাঁড়িয়ে আছে খায়রুল মানাজিল। মসজিদের সীমানা প্রাচীর অর্ধভগ্ন অবস্থায় টিকে আছে।
মসজিদের ওপরে একটি বড় গম্বুজ আছে। এটি সীমানা প্রাচীর ছাড়িয়ে অনেক উঁচুতে উঠে গেছে। গম্বুজের ওপরে পদ্মফুলের উল্টানো পাপড়ির প্রতিকৃতি। সেখান থেকে কন্দাকৃতির একটি মিনার ওপরের দিকে উঠে গেছে। মিনারটি লাল বেলে পাথরে নির্মিত। খায়রুল মানাজিলে প্রধান প্রবেশদ্বারটি চত্বরের পূর্ব দিকে অবস্থিত। লাল বেলে পাথরে নির্মিত তোরণটি এখনো আগের মতোই। এর দুপাশে দুটি বড় আয়তাকার থাম আছে। তোরণের প্রশস্ত খিলানযুক্ত দরজাকে থাম দুটি ধরে আছে। দরজাটিও আয়তাকার। এতে অনেক খুপরি আছে। থাম দুটি ভেতরের দিকে হেলানো। সেগুলো তুলনামূলক ছোট আরেকটি খিলানযুক্ত তোরণের দিকে ইঙ্গিত করছে। এ তোরণের দুপাশে ওপরে যাওয়ার সিঁড়ি আছে। প্রতিটি থামের ভেতরের প্রান্ত একটি লাল বেলে পাথরের তৈরি স্তম্ভ দ্বারা সুসজ্জিত। খিলানযুক্ত বড় দরজা ও তোরণের মাঝখানে একটি বড় অর্ধগম্বুজ আছে। অর্ধগম্বুজটি লাল বেলে পাথরের তৈরি। তোরণের ওপরে একটি ছোট খিলানযুক্ত জানালা আছে। থামগুলোর ভেতরের দেয়ালে মুখোমুখি দুটি কুঠরি আছে। এগুলো শ্বেত মার্বেল পাথরের তৈরি। তাতে উল্লম্বভাবে লাল বেলে পাথর দিয়ে খাঁজ কাটা আছে। প্রতিটি কুঠরির মাঝখানে একটি ছোট বর্গাকৃতির কুলুঙ্গি আছে। আয়তাকার কাঠামোর মূলে একটি স্তম্ভ আছে। এটি লাল বেলে পাথর নির্মিত কুঠরি দ্বারা বেষ্টিত। এতে আনুভূমিক কিছু অসমান প্রান্ত আছে। প্রান্তগুলো ভেতরের দিকে অর্ধগম্বুজ পর্যন্ত বিস্তৃত। খুপরিযুক্ত তোরণে বর্তমানে একটি বড় কাঠের কপাট আছে। এর ভেতর দিয়ে দর্শনার্থীরা উঠানে প্রবেশ করে। তোরণের ভেতরের অংশে প্লাস্টার করা। প্লাস্টারে জ্যামিতিক নকশা খোদাই করা। এ পৃষ্ঠতলগুলো হালকা লাল রঙের।
দেয়ালগুলোয় কোয়ার্টজের ব্লক ব্যবহার করা হয়েছে। চত্বরের ভেতরের দিক থেকে সেগুলো দৃষ্টিগোচর হয়। তোরণের দুপাশে অবস্থিত ওপরে যাওয়ার সিঁড়িগুলোও কোয়ার্টজ দিয়ে তৈরি। সিঁড়িগুলো দিয়ে ওপরের একটি ঝুলবারান্দায় যাওয়া যায়। সেখানে আরো দুটি অভ্যন্তরীণ সিঁড়ি আছে। সেগুলো দিয়ে তোরণের ছাদে ওঠা যায়। তোরণের ছাদ দুই স্তরবিশিষ্ট। নিচের স্তরটি ভেতরের আয়তাকার কাঠামোর ওপরের অংশের সঙ্গে সংযুক্ত। আর ওপরের স্তরটি বাইরের কাঠামোর সঙ্গে সংযুক্ত। ছাদের পূর্ব অংশে তোরণের মতো কিছু কাঠামো আছে। এর সঙ্গে পাঁচটি তীক্ষ খিলানযুক্ত কুলুঙ্গি আছে। এগুলো বাইরের কাঠামোর পেছনের দিকে অবস্থিত। চারটি খিলান লাল বেলে পাথর দিয়ে সূক্ষ্মভাবে নকশা করা। সেগুলোর প্রসারিত ত্রিভুজাকৃতির অংশ একটি গোল পদক ধারণ করে আছে। পদকটিতে আরবিতে ‘আল্লাহ’ খোদাই করা আছে। ওপরের বারান্দাটি থেকে চারপাশের চমৎকার দৃশ্য উপভোগ করা যায়। বিশেষ করে পুরানা কিল্লার চিত্র বেশ সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।
চত্বরের মাঝখানে একটি জলাশয় আছে। এটি অষ্টভুজাকার। ওজু করার জন্য এটি ব্যবহার হতো। বর্তমানে সেটিতে কোনো পানি নেই। এ জলাশয়ের উত্তর-পূর্ব পাশে একটি গোলাকার কূপ আছে। কূপটিতে এখনো পানি আছে।
চত্বরের উত্তর ও দক্ষিণ দিকে দ্বিতল দালান আছে। উভয় পাশে মোট নয়টি খিলানযুক্ত কুলুঙ্গি আছে। উঠানের পূর্ব পাশের দালানে দুটি খিলানযুক্ত কুলুঙ্গি আছে। প্রবেশদ্বারের কাঠামোর উভয় পাশে এ দুটি কুলুঙ্গি অবস্থিত। দালানগুলো একই আকৃতির। তাদের নকশাও একই রকম। প্রতিটি দালানে একটি বর্গাকৃতির গম্বুজবিশিষ্ট কক্ষ আছে। বড় কক্ষের ভেতরে তুলনামূলক ছোট আরেকটি কক্ষ আছে। এটি খিলানযুক্ত ও আয়তাকার। আয়তাকার প্রতিটি কক্ষের একটি খিলানযুক্ত জানালা আছে। এ জানালাগুলোর কয়েকটি আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। জানালাগুলো পাথরের সুদৃশ্য জালি দিয়ে ঘেরা ছিল। বর্তমানে মাত্র কয়েকটি জালি টিকে আছে। দালানের নিচের স্তরে খিলানযুক্ত একটি দরজা আছে। আর ওপরের অংশে একটি প্রসারিত বারান্দা আছে। এ বারান্দা দিয়ে হেঁটে দালানে প্রবেশ করা যায়। চত্বরের এসব দ্বিতল দালানে মোট ৪৪টি কক্ষ আছে। অধিকাংশ খিলান অসমান। এগুলোর চূড়া গোলাকার। তবে কিছু খিলানের ওপরের অংশ চোখা। খিলানের বাইরের অংশ সুদৃশ্য পাথরের ব্লক দ্বারা সাজানো। খিলান ও কক্ষগুলোর ভেতরের দিকে পাথরের অসমান ব্লক ব্যবহার করা হয়েছে। গম্বুজবিশিষ্ট কক্ষগুলোর ভেতরে প্লাস্টারের চিহ্ন আছে। মসজিদের এ অংশ পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তার ওপর প্লাস্টারের আবরণ দেয়া হয়েছিল।
আয়তাকার চত্বরের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে প্রবেশপথ আছে। উত্তর-পূর্ব অংশের প্রবেশপথটি আবার তিনটি সরু পথে বিভক্ত। এ তিনটি পথ ধরে তিন দিক দিয়ে একটি অষ্টভুজাকার কক্ষে প্রবেশ করা যায়। খায়রুল মানাজিল মসজিদের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অষ্টভুজাকার কক্ষটি অবস্থিত। কক্ষটির পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি পথ দিয়েও এতে প্রবেশ করা যায়। এ কক্ষের ছাদে একটি চেখের মতো খোলা অংশ আছে। দক্ষিণ-পূর্ব দিকের প্রবেশপথ ধরে একটি ষড়ভুজাকার কক্ষে প্রবেশ করা যায়। এ কক্ষের উভয় পাশে একটি করে বড় খুপরি আছে। এর দক্ষিণ দিক দিয়ে আরেকটি ছোট কক্ষে প্রবেশ করা যায়।
চত্বরের পশ্চিম পাশে নামাজ পড়ার স্থান। এটি প্রবেশদ্বারের ঠিক বিপরীত দিকে অবস্থিত। এ বিশাল অংশটি পাঁচটি কুলুঙ্গিতে বিভক্ত। এগুলো বিভিন্ন আকারের। এতে একটি গলি আছে। গলিটি আবার আড়াআড়ি ও তীক্ষ্ম খিলানযুক্ত অনেক কুঠরিতে বিভক্ত। নামাজের এ স্থানের দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৭ মিটার ও প্রস্থ ৩৮ দশমিক ৫ মিটার। মাঝখানের কুলুঙ্গিটি সবচেয়ে বড়। এর বর্গাকৃতি কুঠরির মাথায় একটি বড় গম্বুজ আছে। গম্বুজটি ১৬টি প্রান্তবিশিষ্ট ভেরির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ভেরিটিকে আবার আটটি অর্ধগম্বুজাকৃতির খিলান ঠেস দিয়ে আছে। ভেরির প্রতি পাশে খিলানযুক্ত কুলুঙ্গি আছে। চারদিকে চারটি খিলানযুক্ত জানালা আছে। এর ভেতর দিয়ে আলো প্রবেশ করে। ফলে স্থানটি সবসময় আলোকিত থাকে। কেন্দ্রীয় কুলুঙ্গির উত্তর ও দক্ষিণ দিকের কুলুঙ্গিগুলোও বর্গাকার। তবে এগুলো কেন্দ্রীয় কুলুঙ্গির তুলনায় আকারে কিছুটা ছোট। নামাজ কক্ষের একেবারে শেষের দুটি কুলুঙ্গি আয়তাকার ও খিলানযুক্ত। উঠান থেকে এ দুটি কুলুঙ্গি দেখা যায় না। এগুলো উত্তর ও দক্ষিণ দিকের দালানের ভেতরের দিকে লুকানো। উত্তর ও দক্ষিণের দেয়ালে দুই স্তরে দুটি খিলানযুক্ত দুটি জানালা আছে। নিচেরটি বড়। সে তুলনায় ওপরেরটি ছোট। নামাজ ঘরে তিনটি মেহরাব আছে। এগুলো কেন্দ্রীয় ও দুই পাশের কুলুঙ্গির মাঝামাঝি অংশের সঙ্গে যুক্ত। চত্বর থেকে তিনটি পথ দিয়ে নামাজের ঘরে প্রবেশ করা যায়। এগুলোয় ছোট ছোট খুপরি আছে। প্রতিটি পথে আছে খিলানযুক্ত দরজা। দরজাগুলো চত্বরের দিকে মুখ করা। প্রধান দরজা ও খিলানযুক্ত পথ পাশের দুটি দরজার তুলনায় কিছুটা লম্বা ও প্রশস্ত। চত্বরের উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম কোনায় সিঁড়ি আছে। তা দিয়ে ওপরে যাওয়া যায়। কোনার দালানগুলো থেকে এ সিঁড়িগুলো ব্যবহার করা যায়।
নামাজ ঘরের তিনটি প্রশস্ত ও চোখা খিলানযুক্ত কুলুঙ্গি আছে। এগুলো খিলানযুক্ত দরজার সঙ্গে যুক্ত। প্রধান দরজা একটি আয়তাকার কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত। এর দুই পাশে দুটি অষ্টভুজাকার বুরুজ আছে। আয়তাকার কাঠামোটিতে প্লাস্টার করে তার ওপর কোরআনের আয়াত খোদাই করা। প্রধান খিলানের ওপর একটি আয়তাকার ফলক আছে। এটি শ্বেত মার্বেল পাথরে তৈরি। তাতে উৎসর্গ বাণী খোদাই করা। মাঝখানের কুলুঙ্গিটি দুপাশের কুলুঙ্গির তুলনায় কিছুটা সামনে অবস্থিত। এটি তুলনামূলক প্রশস্ত ও লম্বা।
খায়রুল মানাজিল মসজিদে মোগল স্থাপত্যকলার দুটি কৌশল ব্যবহার করা হয়েছে। প্রথমত, পাথরে খোদাই করা সূক্ষ্ম নকশা। দ্বিতীয়ত, খোদাই করা প্লাস্টার। তার সঙ্গে আছে চকচকে ও বর্ণিল টাইলসের কাজ। প্রবেশদ্বারটি প্রথম স্থাপত্য কৌশলের উদাহরণ। এর থামগুলো চমৎকারভাবে কারুকাজ করা। এতে লাল বেলে পাথরের তৈরি গোল পদক আছে। তার ওপর পাথর কুঁচির নকশা করা। মসজিদের অবশিষ্ট অংশ প্লাস্টারের নকশা দ্বারা সুসজ্জিত। মসজিদের বিভিন্ন অংশে প্লাস্টারে ‘আল্লাহ’, ‘ইয়া আল্লাহ’, ‘মুহাম্মদ’, ‘আল-মুলক আল্লাহ’ ও কলেমার ক্যালিগ্রাফি করা। মসজিদের তিনটি মেহরাবও একই পদ্ধতিতে সজ্জিত করা হয়েছে। মাঝখানের মেহরাবের থামগুলো বর্ণিল টাইলস দ্বারা সাজানো। মেহরাবের ওপর প্লাস্টারে কোরআনের আয়াত খোদাই করা। চার রঙের প্লাস্টার দিয়ে মেহরাবটি সাজানো। হলুদ, নীল, লাল ও সবুজ।
খায়রুল মানাজিল মসজিদ ভারতে মোগল স্থাপত্যকলার এক অনন্য নিদর্শন। এটি সম্রাট হুমায়ুনের শাসনামলে নির্মিত। একজন মুসলিম নারী কর্তৃক নির্মিত দিল্লির প্রথম মসজিদ হিসেবেও এটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের রক্ষণাবেক্ষণে মসজিদটি এখনো পর্যটন আকর্ষণ হয়ে টিকে আছে।
নিজাম আশ শামস: লেখক






