ধান পৃথিবীর প্রধানতম খাদ্যশস্য, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের দৈনন্দিন খাবারের উৎস হিসেবে ব্যবহার হয়। ধান হলো ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ। রুফিপোগোন নামে একজাতীয় বুনো ঘাস লক্ষ বছরের বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় দানাদার ধানে রূপান্তর হয়েছে। সেটা আরেক ইতিহাস, অন্যত্র আলাপ করা যাবে। তো, এ ধানের প্রায় ৯০ শতাংশ উৎপাদন হয় এশিয়া মহাদেশে। দক্ষিণ চীনের ইয়াংতে নদীর অববাহিকা থেকে পশ্চিমে মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তান এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো ধান চাষের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই প্রসিদ্ধ। এ দেশগুলোয় ধান চাষের রয়েছে সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক-সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট এবং ভূপ্রাকৃতিক কৃষি-জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য, যা ক্ষেত্রবিশেষে অনন্য ও অংশীদারত্বমূলক। ধানের আদি উৎপত্তি চীনে হলেও দক্ষিণ এশিয়াকে বলা যায় ধানের পুনরুৎপত্তি কেন্দ্র। মোট চারটি জেনেটিক জাতের তিনটিরই উৎপত্তি ঘটেছে এখানে।

এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ধানের অসংখ্য স্থানীয় জাত পাওয়া যায়। ফিলিপাইনের আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা কেন্দ্রে (IRRI) এসব স্থানীয় জাতের ধান সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার সংখ্যা প্রায় সোয়া এক লাখ। বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্র (BRRI) জার্মপ্লাজম সেন্টারে বাংলাদেশের স্থানীয় জাতের প্রায় সাড়ে আট হাজার ধান সংরক্ষিত আছে। আধুনিক ধানবিজ্ঞানীরা এশিয়ার স্থানীয় জাতের ধানের জেনেটিক গবেষণার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন লাখো প্রকরণের স্থানীয় জাতের এ ধানগুলো আদতে চারটা প্রধান জাত থেকে উদ্ভূত। চারটি জাত হলো (Genetic variety) জাপোনিকা, ইন্ডিকা, আউশ ও অ্যারোমেটিক বা সুগন্ধি জাত। বাংলাদেশে এ চার জাতের ধানই আবাদ হয় সুদূর অতীতকাল থেকে।

চারটি মূল জাতের ভেতরে জাপোনিকা ধান উৎপত্তি লাভ করেছিল চীন দেশে, নিম্ন ও মধ্য ইয়াংজি নদী অববাহিকায়। জেনেটিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক উভয় শাস্ত্রে পৃথক পৃথক গবেষণায় প্রমাণ মিলেছে আজ থেকে প্রায় সাত হাজার বছর আগে এ ধানের ডোমেস্টিকেশন সম্পন্ন হয়েছিল। জাপোনিকাসহ সব ধানই একসময় বুনো ছিল। বিজ্ঞানীদের ধারণা, জাপোনিকা ধান উৎপত্তি লাভ করেছিল অত্যন্ত ধীর বিবর্তনের প্রক্রিয়ায় সরাসরি বুনো ধান রুফিপোগোন থেকে।

ইন্ডিকা ধান কোথায় উৎপত্তি লাভ করেছিল তা নিয়ে মতভেদ থাকলেও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অভিমত হলো ভারতের মধ্য ও উচ্চ গাঙ্গেয় উপত্যকায় আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগে এ জাতের ধানটি উৎপত্তি হয়েছিল। প্রফেসর ডোরিয়ান ফুলার এমনটাই ধারণা করেন। তবে আর্কিওবোটানিস্ট অ্যালিসন বেইট ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের মাসুদপুর নামে একটি প্রত্নস্থান থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২২০০ অব্দের কিছু নমুনা প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করেছেন, যা হয়তো ইন্ডিকা ধানের উৎপত্তির সঙ্গে সম্পর্কিত। তবে এ বিষয়ে আরো নির্ভরযোগ্য ধারণা পেতে হলে অধিকতর বিশ্বাসযোগ্য প্রত্ন-উদ্ভিজ নিদর্শন পেতে হবে। বিজ্ঞানীদের ধারণা ইন্ডিকা ধানের উৎপত্তি হয়েছিল নিভারা নামে একটি বুনো ধান ও চাইনিজ জাপোনিকা ধানের সংকরায়ণের মাধ্যমে। অর্থাৎ ইন্ডিকা ধান উৎপত্তি লাভের আগেই চাইনিজ ধান গাঙ্গেয় উপত্যকায় এসে পৌঁছেছিল, যা এ অঞ্চলে চীন থেকে আদিম মানব অভিবাসনের ইঙ্গিত বহন করে। তবে চীন থেকে জাপোনিকা ধান কোন পথে মধ্য-গাঙ্গেয় উপত্যকায় পৌঁছেছিল তা এখনো অজানা। আর্কিওবোটানিস্টদের একদল মনে করেন জাপোনিকার এ অভিবাসন প্রাচীন বাংলাদেশের ওপর দিয়ে ঘটেছিল, তবে তা এখনো প্রমাণিত হয়নি।

আউশ জাতীয় ধানের উৎপত্তি বিষয়ে জেনেটিক প্রমাণ পাওয়া গেছে সাম্প্রতিককালে। আগে ধারণা করা হতো আউশ হলো ইন্ডিকার একটি উপজাত। যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল জিনবিজ্ঞানী আউশ ধানের ডিএনএ সিকোয়েন্স অ্যানালাইসিস করে দেখতে পেয়েছেন যে এ ধান ইন্ডিকা থেকে আলাদা এবং ধানটি ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা (আসাম-বাংলাদেশ), পশ্চিমবঙ্গ কিংবা মধ্য ভারতের কোনো একটা অঞ্চলে উৎপত্তি লাভ করেছিল। জেনেটিক রিসার্চের এটা একটা সীমাবদ্ধতা যে এর মাধ্যমে ফসল উৎপত্তির ভৌগোলিক অবস্থান ও সময়কে নির্দিষ্ট করা যায় না বরং একটা বৃহৎ পরিসরকে নির্দেশ করে। এ ঘাটতি পূরণে প্রত্নতাত্ত্বিক/আর্কিওবোটানিক্যাল গবেষণাকে অনিবার্য বিবেচনা করা হয়, কেননা তা জেনেটিক গবেষণার এ সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে পারে।

ধানের চতুর্থ জেনেটিক জাতটি অ্যারোমেটিক বা সুগন্ধি ধান। বাজারে বাসমতি, কালিজিরা, বালামসহ নানা নামে যে চাউলগুলো পাওয়া যায় এগুলো সবই অ্যারোমেটিক জাতের অন্তর্ভুক্ত। ধানটি আউশ ও ইন্ডিকা ধানের সংকরায়ণের ফলে উৎপত্তি লাভ করেছিল বলে ধান বিজ্ঞানীদের গবেষণায় উঠে এসেছে। ধারণা করা হয় ধানটি প্রায় দুই হাজার বছর আগে উৎপত্তি লাভ করে থাকতে পারে। আজ পর্যন্ত আউশ ও অ্যারোমেটিক জাতের ধানের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কোথাও পাওয়া যায়নি। এমনকি প্রত্নতাত্ত্বিক ধানের সংমিশ্রণ থেকে এ দুটি ধানকে আলাদা করার কোনো পদ্ধতি এখনো উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়নি। আর্কিওবোটানিস্টরা নিরন্তর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, হয়তো কোনো এক সময় তারা সফল হবেন। 

বাংলাদেশে প্রাচীন ফসল নিয়ে গবেষণা সাম্প্রতিক। এ ধরনের গবেষণার জন্য যে বিশেষায়িত দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন সেটার অনুপস্থিতি যেমন এজন্য দায়ী, ঠিক তেমনি এ দেশের প্রত্নতাত্ত্বিকদের ভেতরে একটা ধারণা কাজ করত বাংলাদেশের মাটিতে কোনো ধরনের উদ্ভিজ্জ অবশেষ টিকে থাকতে পারে না। সেটা ভুল প্রমাণিত হয়েছিল ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। আমি বাংলাদেশের উয়ারী-বটেশ্বরের মাটি পানি দিয়ে ধুয়ে এবং ছেঁকে (ফ্লোটেশন পদ্ধতি) যে অবশেষ পাওয়া গিয়েছিল তা বহন করে নিয়ে গিয়েছিলাম ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের আর্কিওবোটানি ল্যাবরেটরিতে। সেখানেই মাইক্রোস্কোপিক ভিজুয়ালাইজেশনের মাধমে প্রথম পদ্ধতিগতভাবে শনাক্ত করা হয়েছিল বাংলাদেশের প্রাচীন ধানসহ আরো প্রায় আশি প্রজাতির উদ্ভিদের অবশেষ।

আর্কিওবোটানি ছাড়াও মহাস্থান ব্রাহ্মীলিপি থেকে পাওয়া তথ্যমতে, খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ৩০০ অব্দের কাছাকাছি সময়ে বাংলাদেশে ধান চাষাবাদ হতো বলে জানা যায়। পরবর্তীকালে মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশ-ফ্রান্স যৌথ প্রত্নতাত্ত্বিক খননে পোড়া ধানের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছিল বলে খনন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আবার কয়েক বছর আগে পটুয়াখালীতে বঙ্গোপসাগরে একটি প্রাচীন নৌকা (সম্ভবত সওদাগরি বা বাণিজ্যিক নৌকা) পাওয়া গিয়েছিল, যা পুনরুদ্ধার করার সময়ে অনেক চাউল পাওয়া গিয়েছিল। তবে এসব ধান/চাউল কোনোটাই পরবর্তীকালে গবেষণার আওতায় আনা হয়নি, এমনকি তা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানা যায় না।

বাংলাদেশের প্রত্নস্থানগুলোর মধ্যে নরসিংদীর উয়ারী-বটেশ্বর ছাড়াও টঙ্গীরটেক, বগুড়ার মহাস্থানগড়, ভাসুবিহার, নওগাঁর জগদ্দল বিহার ও নীলফামারীর সতিশের ডাঙ্গা, মুন্সিগঞ্জের রঘুরামপুর ও নাটেশ্বর প্রত্নস্থান থেকে প্রাচীন ধানের নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। তন্মধ্যে উয়ারী-বটেশ্বর, রঘুরামপুর ও সতিশের ডাঙ্গা প্রত্নস্থান থেকে প্রাপ্ত ধান নিয়ে গবেষণা হয়েছে। রেডিওকার্বন পদ্ধতিতে উয়ারী-বটেশ্বরের ধানের বয়স ৪০০-৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ, রঘুরামপুরের ৮০০-৯০০ অব্দ এবং সতিশের ডাঙ্গায় প্রাপ্ত ধান ১৩০০-১৮০০ অব্দের বলে জানা গেছে ।

উয়ারী-বটেশ্বরে যে ধান পাওয়া গেছে তা জাপোনিকা জাতের ধান হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। মজার বিষয় হলো এখানে কোনো ইন্ডিকা জাতের ধান পাওয়া যায়নি অথচ গবেষকদের অত্যন্ত শক্ত অনুমান ছিল প্রাচীন বাংলাদেশে ইন্ডিকা জাতের ধান চাষাবাদ হতো। তবে বিষয়টি এখনো অনিষ্পন্ন বলেই ধরে নেয়া যায়, কেননা বিষয়টি আরো পদ্ধতিগতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। বিশেষত, উয়ারী-বটেশ্বরে যেসব প্রত্নবস্তু পাওয়া যায়, যেমন উত্তরাঞ্চলীয় কালো মসৃণ মৃৎপাত্র, কালো প্রলেপযুক্ত মসৃণ মৃৎপাত্র, রোলেটেড মৃৎপাত্র ও নবযুক্ত মৃৎপাত্র, যা দক্ষিণ এশিয়ার নানা প্রত্নস্থানে পাওয়া গেছে। প্রত্নতাত্ত্বিকদের ধারণা, এসব নিদর্শন প্রাপ্তি মধ্য-গাঙ্গেয় উপত্যকার সঙ্গে উয়ারী-বটেশ্বরের এক ধরনের বাণিজ্যিক কিংবা সাংস্কৃতিক যোগাযোগকে নির্দেশ করে। স্বাভাবিকভাবেই ধরে নেয়া যায়, প্রাচীন মধ্য-গাঙ্গেয় উপত্যকায় উদ্ভূত ইন্ডিকা ধান নিম্ন-গাঙ্গেয়-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা অববাহিকার উয়ারী-বটেশ্বরের কৃষকরা চাষাবাদ করতেন। তবে প্রাপ্ত তথ্য, ধরে নেয়া অনুমানকে সমর্থন না করায় বিষয়টি আরো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করা হচ্ছে। মুন্সিগঞ্জের রঘুরামপুরেও কেবল চাইনিজ জাপোনিকা ধানের নিদর্শন প্রাপ্তি আমাদের আরো নিবিড়ভাবে বিষয়টি পর্যবেক্ষণে উৎসাহিত করছে। তবে ইন্ডিকা ধান চাষের নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গেছে সতিশের ডাঙ্গা প্রত্নস্থানে, চতুর্দশ শতাব্দীর প্রথম দিকে এ ধান চাষাবাদ হতো এ এলাকায়। আধুনিক ভারতের মধ্য-গাঙ্গেয় অঞ্চলের সঙ্গে প্রাচীন বাংলাদেশের আদি যোগাযোগের যে নিদর্শনগুলো রয়েছে তার ভিত্তিতে বলা যায়, আদি বাংলাদেশে ইন্ডিকা জাতের ধান চাষের সূচনা সময়কাল চতুর্দশ শতাব্দীর হতে পারে না। এটা অবশ্যই আরো আগেই এ অঞ্চলের কৃষকদের চাষের আওতায় এসেছিল, তবে সেটা কখন তা এখনো আমাদের নিকট রহস্যাবৃত। সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিতকরণ বৈশিষ্ট্য আবিষ্কৃত না হলেও আধুনিক আউশ ধানের (লম্বা ও প্রশস্ত) গাঠনিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে মিল দেখে ২০১৯ সালে মহাস্থানগড়ের প্রত্নতাত্ত্বিক খননে প্রাপ্ত ধানের ভেতরে আউশ ধান রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। তবে বৈজ্ঞানিক গবেষণার পরেই এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করা সম্ভব।

ধারণা করা হয়, ধানচাষী একদল কৃষক সর্বপ্রথম বঙ্গীয় বদ্বীপের পূর্বাংশে কোনো সুদূর অতীতে প্রথম স্থায়ী বসতি গড়ে তুলেছিল। এ অঞ্চলে সহজলভ্য বুনো ধান (নিভারা) তারা সংগ্রহ করত, পাশাপাশি তাদের সঙ্গে করে নিয়ে আসা (ইন্ডিকা/জাপোনিকা) ধান স্বল্পপরিসরে চাষাবাদের মাধ্যমে খাদ্যচাহিদা পূরণ করত। বাংলাদেশ একটি সীমান্তবর্তী এলাকা, যা দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও চীনের মাঝখানে অবস্থিত। বাংলাদেশ পৃথিবীর সর্ব পূর্ব এলাকা, যেখানে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠী বসবাস করে, যারা মূলত ইন্ডিকা জাতের ধানচাষী ছিল। আবার একই সঙ্গে এ এলাকায় সিনো-তিবেতান ভাষা-গোষ্ঠীর মানুষও বসবাস করে, যারা জাপোনিকা জাতের ধানচাষী ছিলে। ধারণা করা হয় সুদূর অতীতে পূর্ব ও পশ্চিমে মানুষের যে অভিবাসন ঘটেছিল তারই কোনো এক পর্বে এ ভূখণ্ডে মানুষ বসতি গড়ে তুলেছিল। তবে তারা কারা ছিল এবং কখন এ ভূখণ্ডে বসতি গড়ে তুলেছিল সেটা জানতে হলে এ ভূখণ্ডের ধান আবাদের উৎপত্তির ইতিহাস আমাদের জানতে হবে, যা এখনো রহস্যাবৃত।

মিজানুর রহমান: আর্কিওলজিস্ট ও আর্কিওবোটানিস্ট, ডিফিল (পিএইচডি) ফেলো

আর্কিওলজিক্যাল সায়েন্স, অক্সফোর্ড স্কুল অব আর্কিওলজি, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইউকে। সহযোগী অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়