মাঠে ম্যানচেস্টার ইউনাইটে পুরুষ দলের পারফরম্যান্স যাচ্ছেতাই। তবু গত এক বছরে রেড ডেভিলদের আয় ছিল ঈর্ষণীয়। এ সময় তারা ৬৬ কোটি ৬৫ লাখ পাউন্ড (প্রায় ১১ হাজার ৬৮ কোটি টাকা) আয় করেছে।

গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ১৫তম স্থানে ছিল ম্যানইউ, যা ১৯৭৩-৭৫ মৌসুমের পর তাদের সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স। যদিও স্ন্যাপড্রাগনের সঙ্গে তাদের পাঁচ বছরের স্পন্সরশিপ চুক্তির প্রথম বছরেই তারা বাণিজ্যিক খাত থেকে আয় করেছে ৩৩ কোটি ৩৩ লাখ পাউন্ড। এছাড়া ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত তারা প্রতি ম্যাচ ডে থেকে মোট ১৬ কোটি ৩ লাখ পাউন্ড আয় করেছে।

ম্যানইউর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওমার বেরাদা বলেন, ‘এমন চ্যালেঞ্জিং সময়ে সহনশীলতা দেখিয়ে রেকর্ড আয় করা দারুণ ব্যাপার। ২০২৫-২৬ মৌসুম শুরু হয়েছে, এ সময় আমরা সব বিভাগেই উন্নতি করতে চাই।’

চলতি মৌসুমেও ম্যানইউ বাজে সূচনা করেছে। ৪ রাউন্ড শেষে টেবিলের ১৪তম স্থানে তারা। বেরাদা এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি। তিনি জানান, ম্যানইউ দীর্ঘ সময়ের কথা মাথায় রেখে এগোচ্ছে।

গত এক বছরে ম্যানইউর লোকসান হয়েছে ৩ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড, আগের মৌসুমে যা ছিল ১১ কোটি ৩২ লাখ পাউন্ড। লোকসান ৭০.৮ শতাংশ কমিয়ে এনেছে তারা।

আগের বছর ৬৫ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড আয় করায় গত জানুয়ারিতে ম্যানইউকে চতুর্থ সর্বোচ্চ আয়কারী ক্লাব হিসেবে তালিকাভুক্ত করে ডেলোয়েট। ৮৮ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ড আয় করে শীর্ষে ছিল স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদ। এছাড়া ম্যানসিটি ৭০ কোটি ৮০ লাখ ও প্যারিস সেন্ট জার্মেই ৬৮ কোটি ১০ লাখ পাউন্ড আয় করে চারে ছিল।