মণি রত্নম পরিচালিত সিনেমা ‘থাগ লাইফ।’ এতে অভিনয় করেছেন কমল হাসান, তৃষা কৃষ্ণান, সিলাম্বারাসান প্রমুখ। ২০০ কোটি রুপি খরচ করে নির্মাণ হয়েছে ‘থাগ লাইফ’। সিনেমাটির প্রমো ভিডিও আসার পর থেকেই তা নিয়ে উচ্ছ্বাস ও আশাবাদ ছিল দর্শকের। কিন্তু বাস্তবে হলো তার বিপরীত। মুক্তির আগেই নানা রকম বিতর্ক ও সিনেমার প্রতি দর্শকের অনীহা দেখা যায়। তবু আত্মবিশ্বাস দেখিয়েছিলেন সিনেমাসংশ্লিষ্টরা। কিন্তু দিনশেষে থাগ লাইফ দর্শক টানতে পারেনি। চূড়ান্ত ব্যর্থতার পাশাপাশি বলা চলে একরকম ভরাডুবিই হয়েছে সিনেমাটির।
থাগ লাইফ মুক্তি পায় ৫ জুন। কমল হাসানের একটি মন্তব্যের জের ধরে কন্নড়ে মুক্তি পায়নি সিনেমটি। অভিনেতা বলেছিলেন ‘কন্নড়ের জন্ম হয়েছে তামিল থেকে’। কথাটির তীব্র প্রতিবাদ করেন কন্নড় ভাষাভাষীরা। সেই সঙ্গে তারা থাগ লাইফ বর্জন করেন। এর মধ্যেই ৫ জুন এ সিনেমা মুক্তি পায় তামিল, তেলেগু ও হিন্দি ভাষায়। প্রথম দিনে সিনেমার শো ছিল ৪ হাজার ৯১৭টি। এর মধ্যে হিন্দিতে ১ হাজার ৫৩৫টি, তামিলে ২ হাজার ৫০৩ ও তেলেগুতে ৭৭৭টি শো নিয়ে হয়েছিল থাগ লাইফের যাত্রা। মুক্তির ছয়দিনের মাথায় সিনেমাটির তিন হাজার শো বাতিল হয়েছে। তামিলে ১ হাজার ২৯০টি, হিন্দিতে ২১৮ ও তেলেগুতে ৫৮১টি শো চলছে।

মুক্তির ষষ্ঠ দিনে দেখা যাচ্ছে সিনেমাটি তামিল সংস্করণে সিনেমা হলে ১৭ শতাংশ, হিন্দিতে ৬ শতাংশ ও তেলেগুতে ১৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ দর্শক পাচ্ছে। সাচনিল্কের দেয়া তথ্যানুসারে, সিনেমাটি ষষ্ঠ দিনে সারা ভারত থেকে আয় করেছে ১ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। আগের দিন অর্থাৎ সিনেমা মুক্তির পঞ্চম দিনে থাগ লাইফ আয় করেছিল ১০ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। সব মিলিয়ে সিনেমাটি চারদিনে ১০০ কোটি রুপি আয় করেছিল। তার পরও সিনেমাটি ব্যর্থ।
থাগ লাইফ ভারত থেকে আয় করেছে ৪০ কোটি ৯৫ লাখ রুপি। সে হিসেবে দেখা যাচ্ছে এটি কমল হাসানের দ্বিতীয় ফ্লপ সিনেমা। এর চেয়েও বাজে অবস্থা ছিল তার সাম্প্রতিক ‘ইন্ডিয়ান টু’র। সিনেমাটির চলতি দশা দেখে বোঝা যাচ্ছে এর অবস্থা সালমান খানের সিকান্দার বা বরুণ ধাওয়ানের বেবি জনের মতোই হবে। মেরেকেটে ১০০ কোটি রুপির কিছু বেশি আয় করে সিনেমার যাত্রা থামবে।
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










