দেশীয় সংগীত ইন্ডাস্ট্রির কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইউটিউবে এককভাবে ৩০ লাখ সাবস্ক্রাইবারের ঘরে পৌঁছেছে তার অফিশিয়াল চ্যানেল। প্রায় এক দশকের ইউটিউব যাত্রায় বিভিন্ন ধাঁচের গান প্রকাশের মধ্য দিয়ে এ অর্জন এসেছে তার। গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সংগীত ও নৃত্যকলা ভবনের হলে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ‘মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় কপিরাইটের ভূমিকা এবং মনির খান অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলের সফলতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা। সিএলএপি মিউজিক পাবলিশিং ও পাথওয়ে অনলাইন ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন এ অর্জন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন ‘অঞ্জনা’ খ্যাত এ গায়ক।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। গীতিকার ও সুরকার মিল্টন খন্দকারের সভাপতিত্বে এতে আরো উপস্থিত ছিলেন সংগীতশিল্পী মিলন মাহমুদ, খুরশিদ আলম, সংগীত পরিচালক ও সুরকার শেখ সাদী খান, গীতিকবি রফিকুজ্জামানসহ অনেকে।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলের সফলতা প্রসঙ্গে মনির খান বলেন, ‘প্রথমেই মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে শুকরিয়া। দীর্ঘ তিন দশকের ক্যারিয়ারে ইউটিউবে এ ৩০ লাখ সাবস্ক্রাইবার হওয়ার পেছনে আমার অগুণিত শ্রোতা ও ভক্তের অবদান অনস্বীকার্য। একই সঙ্গে আমার সংগীত ইন্ডাস্ট্রির যারা সহকর্মী রয়েছেন, যেমন গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক এবং যারা পেছন থেকে যন্ত্রাংশ নিয়ে কাজ করেন, ভিডিওতে যারা ক্যামেরার পেছনে কাজ করেন এবং চ্যানেলটির পেছন থেকে যারা কারিগরিভাবে সহযোগিতা করেছেন; তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।’
তিনি আরো বলেন, ‘এ সফলতায় আমি এতটাই উদ্বেলিত, যা ভাষায় বোঝানোর মতো নয়। আমি সবসময় চেয়েছি, দর্শক-শ্রোতাদের যেন সুস্থ ধারার সুন্দর ও সাবলীল বাংলা ভাষার গান উপহার দিতে পারি। তারা আমাকে সাদরে গ্রহণ করে নিয়েছে বলেই এ সফলতা অর্জন সম্ভব হয়েছে।’
তিনবারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ শিল্পী বলেন, ‘যতদিন কণ্ঠে গান তুলে ধরতে পারব, ততদিন যেন আপনাদের ভালো গান উপহার দিতে পারি, আমার জন্য সেই দোয়া রাখবেন আপনারা।’
অনুষ্ঠানে সংগীতের মেধাস্বত্ব ও কপিরাইট নিয়েও আলোচনা হয়। শেষে অতিথিদের জন্য আয়োজন করা হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।










