বড় কোনো কাজের সঙ্গে নিজের নাম রাখতে চান সবাই। তবে এবার স্কারলেট জোহানসন চাইলেন না। বরং তিনি নিজের নাম বাদ দিতেই বললেন। মূলত মার্ভেলের সিনেমা থান্ডারবোল্টস থেকে নিজের নাম সরাতে চেয়েছিলেন। এর পেছনে বেশকিছু করাণ ছিল। সম্প্রতি ইন্টারভিউ ম্যাগাজিনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ডেভিড হারবারের সঙ্গে কথা বলার সময় বিষয়টি ভেঙে বলেন স্কারলেট।
ইন্টারভিউয়ের সঙ্গে এ সাক্ষাৎকারে হারবার বলেন, ‘আমরা একটা সিনেমার ওপেনিংয়ের দিন কথা বলছি। আমার মনে হয় তুমি এ সিনেমার সপ্তম থান্ডারবোল্ট। আর সিনেমার নির্বাহী প্রযোজকও তুমি। সিনেমার অনেকটা জুড়েই তোমাকে পাওয়া যাচ্ছে। অভিনন্দন।’
এ কথার বিপরীতে স্কারলেট বলেন, ‘আমি মার্ভেলকে বলেছিলাম আমার নাম যেন বাদ দেয়া হয়। কেননা আমি সরাসরি যুক্ত ছিলাম না।’ তার কথা থেকে বোঝা যায় কোনো একটা চুক্তির শর্ত পূরণ করতে তার নাম রাখা হয়েছিল।
থান্ডারবোল্টে অভিনয় করেছেন ডেভিড হারবার, ফ্লোরেন্স পিউ, সেবাস্তিয়ান স্ট্যান, জুলিয়া লুইস প্রমুখ। মজার ব্যাপার ডেভিড হারবার ও ফ্লোরেন্স পিউর মার্ভেল অভিষেক হয়েছিল স্কারলেট জোহানসনের সঙ্গে ‘ব্ল্যাক উইডো’য়।
এ আলাপে অনেক বিষয়ই উঠে এসেছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল একই চরিত্রে বহুদিন অভিনয় করার সমস্যা। যেমন স্কারলেট প্রায় ১১ বছর ধরে অভিনয় করেছেন ব্ল্যাক উইডো চরিত্রে। এ নিয়ে জোহানসন বলেন, ‘কিছু সিনেমায় আমার চরিত্র গল্পের সঙ্গে অনেক বেশি যুক্ত ছিল। যেমন ক্যাপ্টেন আমেরিকা: দ্য উইন্টার সোলজার। এ সিনেমা অনেক বেশি ড্রামাটিক ছিল। কিন্তু অন্য সিনেমাগুলোয় অভিনেতাদের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। কখনো মনে হতো আমি অভিনেতা না, একটা যন্ত্র বিশেষ, যা সিনেমার কাজে লাগছে।’
বিষয়টি দীর্ঘদিন চালিয়ে যাওয়া ক্লান্তিকর বলে মনে করেন জোহানসন। তিনি বলেন, ‘এ রকম বিষয় যদি চার-পাঁচ মাস ধরে চলে তাহলে মানা যায়। এ সময় আমি হয়তো নিজের মতো চুল কাটতে পারব না, নখ রাঙাতে পারব না। কিন্তু সিনেমার প্রয়োজনে তা করা যায়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ওই চরিত্র করে গেলে সেটাই অভিনেতার পরিচয় হয়ে যায়। তখন নিজেকে বন্দি মনে হয়। একটা চরিত্রে আটকে যাওয়া বন্দিত্বের মতো।’
সূত্র: ভ্যারাইটি










