এক সপ্তাহ হলো মুক্তি পেয়েছে ‘মিশন: ইম্পসিবল—দ্য ফাইনাল রেকনিং’। এ সিনেমার মাধ্যমে টম ক্রুজ শেষ করছেন তার মিশন: ইম্পসিবল ফ্র্যাঞ্চাইজি। সিনেমাটির আগের পর্ব মিশন: ইম্পসিবল—ডেড রেকনিং বক্স অফিসে ভালো করতে পারেনি। সে তুলনায় ফাইনাল রেকনিং ভালো করেছে। আসলে বলতে হয় রেকর্ড করার মতো ভালো করেছে। কেননা সিনেমাটি মাত্র চারদিনে বক্স অফিস থেকে তুলে নিয়েছে ২০ কোটি ডলারের বেশি।

মিশন: ইম্পসিবল—দ্য ফাইনাল রেকনিং মুক্তি পেয়েছে ২১ মে। সিনেমাটি মেমোরিয়াল ডে উইকএন্ডে মুক্তি পেয়েছে। প্রথম সপ্তাহ শেষ হতে না হতেই এটি আয় করেছে ২০ কোটি ডলার। এ নিয়ে টম ক্রুজ তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টও করেছেন।

পোস্টে তিনি লেখেন, ‘সপ্তাহটা ইতিহাসে টুকে রাখার মতো। অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই প্রত্যেক চলচ্চিত্র নির্মাতা, শিল্পী, ক্রু সদস্য ও স্টুডিওতে কাজ করা প্রতিটি মানুষকে। আপনারাই এ সিনেমাকে দর্শকের কাছে নিয়ে এসেছেন। আবারো ধন্যবাদ।’

মিশন: ইম্পসিবল ফ্র্যাঞ্চাইজি নির্মাণে শুরু থেকেই ছিল প্যারামাউন্ট পিকচারস। সবসময়ই তারা সিনেমাটি নিয়ে ইতিবাচক ছিল। মাঝে সিনেমার দর্শক কমে গিয়েছিল। ব্যবসাও হয়েছিল কম। কিন্তু স্টুডিও সরে যায়নি। তারা সিনেমার পরিকল্পনা পরিবর্তন করে হলেও মিশন: ইম্পসিবল ফ্র্যাঞ্চাইজির একটি পরিণতি এনেছে। এজন্যও টম ক্রুজ তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

টম ক্রুজ লেখেন, ‘প্যারামাউন্ট ও স্কাইডান্সে যারা কাজ করেন, আপনাদের দীর্ঘদিনের পার্টনারশিপ ও সহায়তা দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে।’ এর সঙ্গে তিনি দর্শককে ধন্যবাদ দিতেও ভোলেননি। টম ক্রুজ লিখেছেন, ‘সবকিছুর ওপরে ধন্যবাদ জানাই আমার দর্শককে যারা তাদের ভালোবাসায় রেখেছেন আমাদের।’

মন্দার বাজারে মিশন: ইম্পসিবল হলিউডকে আশা দিচ্ছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আশা করা যায়, এ সিনেমার সাফল্য দর্শনে অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিও ইতিবাচক মনোভাবে ফিরবে।

সূত্র: ভ্যারাইটি