দুটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করা হয়। ছবিগুলোয় আফ্রিকার লোকেশনে রুদ্র চরিত্রে মহেশ বাবুকে দেখা গেছে।
নতুন ছবিগুলো তোলা হয়েছে আফ্রিকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ লোকেশন কিলিমানজারো ও মাসাই মারায়। এর একটি ছবিতে জঙ্গলের মধ্যে বাঁশের ভেলায় হেলান দিয়ে বসে থাকতে দেখা যায় মহেশ বাবুকে। তার পরনে ঢিলেঢালা জলপাই রঙের শার্ট ও গাঢ় রঙের কার্গো ট্রাউজার। এলোমেলো কোঁকড়ানো চুল ও ঘন দাড়িতে দেখা গেছে তাকে। অন্য ছবিতে আফ্রিকার সাভানার পটভূমিতে পার্শ্বচিত্রে রয়েছেন তিনি। পেছনে দেখা যাচ্ছে জিরাফ ও জেব্রা।
নতুন ছবিগুলোর সঙ্গে দেয়া এক নোটে রুদ্র চরিত্রটির দ্বৈত বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেছেন রাজামৌলি। তিনি লিখেছেন, রুদ্র এমন একটি উদ্দেশ্য পূরণের জন্য জন্মেছে, যা তার নিজের চেয়েও অনেক বড়। এমন এক নিয়তি সে বহন করে, যা সে নিজে কখনো চায়নি। সে রসিক, সে ভঙ্গুর, আবার সে ভয়ংকরও। মহেশ এ বৈশিষ্ট্যগুলোই চরিত্রটির মধ্যে নিয়ে এসেছে। যে কেউ ভয়ংকর চরিত্রে অভিনয় করতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে ভয়ংকর ও ভঙ্গুর—এ দুই বৈশিষ্ট্য ফুটিয়ে তুলতে পারে খুব কম মানুষ।

আফ্রিকায় সিনেমাটির শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন পরিচালক। তিনি বলেন, ‘এ দৃশ্যগুলো আমাদের আফ্রিকা শিডিউলের। এ ভূমি আমাদের এমন কিছু দিয়েছে, যা কোনো সেট কখনো দিতে পারত না। কিলিমানজারোর আশপাশে ও মাসাই মারায় শুটিং করতে গিয়ে আমি বিস্মিত হয়ে গিয়েছিলাম। এমন অনেক সকাল গেছে, যখন মনে হয়েছে সামনে যা দেখছি, আইম্যাক্সের ১.৪৩:১ অনুপাতের ফ্রেমও যেন তা ধারণ করার জন্য যথেষ্ট নয়।’
বারাণসীর গল্প বিস্তৃত হাজার হাজার বছরজুড়ে এবং এর কাহিনী ঘুরে বেড়াবে একাধিক মহাদেশে। অ্যান্টার্কটিকা থেকে আফ্রিকা, এমনকি সিনেমার নামের সঙ্গে যুক্ত ভারতের বারাণসী শহরও রয়েছে এর বিভিন্ন লোকেশনের তালিকায়। ছবিতে মহেশ বাবু দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন—কাহিনীর প্রধান চরিত্র রুদ্র ও হিন্দু দেবতা রাম। প্রিয়াংকা চোপড়া জোনাস অভিনয় করেছেন মন্দাকিনী চরিত্রে। আর প্রধান খলনায়ক কুম্ভ চরিত্রে রয়েছেন পৃথ্বীরাজ সুকুমারন।
বারাণসী বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ২০২৭ সালের ৭ এপ্রিল।
সূত্র: ভ্যারাইটি










