‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ বক্স অফিসে সাফল্য ধরে রেখেছে। মুক্তির দ্বিতীয় সপ্তাহান্তে উত্তর আমেরিকার প্রেক্ষাগৃহগুলো থেকে সিনেমাটি আয় করেছে ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত কেবল টয় স্টোরি ফাইভ মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে প্রায় এই পরিমাণ আয় করতে পেরেছে। ডিজনি-পিক্সারের সিনেমাটি ১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার আয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল।

দ্বিতীয় সপ্তাহান্তের আয়ের হিসাবে ‘ব্র্যান্ড নিউ ডে’ এখন পর্যন্ত সর্বকালের তৃতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। এর সামনে আছে ২০১৫ সালের ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’। সিনেমাটি ১৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার আয় করেছিল। ২০১৯ সালের ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ আয় করেছিল ১৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ইতিহাসে এখন পর্যন্ত মাত্র আটটি সিনেমা দ্বিতীয় সপ্তাহান্তে ১০ কোটি ডলারের বেশি আয় করতে পেরেছে।

দেশীয় বক্স অফিসে রেকর্ড ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং বিশ্বব্যাপী ৯৩ কোটি ২০ লাখ ডলারের দুর্দান্ত উদ্বোধনের পর ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ এখন উত্তর আমেরিকায় আয় করেছে ৬৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

টম হল্যান্ড অভিনীত সনি ও মার্ভেলের এই ওয়েব-স্লিংগিং অ্যাডভেঞ্চার সিনেমাটি মাত্র ছয় দিনে এক বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এখন এটি ছুটছে দুই বিলিয়ন ডলারের দিকে।

বর্তমান গতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বক্স অফিস বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে—‘স্পাইডার-ম্যান’ কি এতটা দীর্ঘ সময় দর্শক টানতে পারবে যে, ইতিহাসের প্রথম সিনেমা হিসেবে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলার আয় করবে এবং একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী তিন বিলিয়ন ডলার আয় করা একমাত্র সিনেমা হয়ে উঠবে?

এই মুহূর্তে উত্তর আমেরিকার বক্স অফিস ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা ২০১৫ সালের ‘দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স’। সিনেমাটির আয় ৯৩ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। অন্যদিকে, একাধিকবার পুনর্মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমার তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ২০০৯ সালের ‘অ্যাভাটার’। সিনেমাটির আয় ২৯০ কোটি ডলার। ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ আয় করেছে ২৭০ কোটি ডলার।