জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ফাতিমা তুয যাহরা ঐশী। ঈদের আগেই প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্য গিয়েছিলেন এ শিল্পী। সেখানে প্রবাসী বাংলাদেশীদের গানে গানে মুগ্ধতা ছড়ান ঐশী। এরই মধ্যে তিনি দেশে ফিরেই কাজে ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। ৯ জুন টাঙ্গাইলের মধুপুরে ‘মধুপুর শহীদ স্মৃতি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন’-এর নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান উপলক্ষে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নতুন কমিটির সাধারণ সম্পাদক কবীর আহমেদ হীরা ও দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ শাকিল আহমেদ জানান, অভিষেক অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে শুরুতে সংগীত পরিবেশন করেন শহীদ স্মৃতির সাবেক শিক্ষার্থী শাহনাজ সাথী। এরপর মঞ্চে একই কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী এসকে সাগর শান ও তার ব্যান্ড পাঞ্জেরী সংগীত পরিবেশন করেন। রাত প্রায় ১০টা ৩০ মিনিটে ঐশী ‘দিল কি দয়া হয় না’ গানটি পরিবেশন করতে করতে মঞ্চে ওঠেন। আর তখন পুরো বিদ্যালয় মাঠের সব দর্শকের মধ্যে ভীষণ উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ঐশী টানা তার ১ ঘণ্টার সংগীত পরিবেশনকালীন একে একে ‘বন্ধু বিনে’, ‘‌নিজাম উদ্দিন আউলিয়া’, ‘কৃষ্ণ আইলো রাধার কুঞ্জে’, ‘নেশা লাগিলোরে’, ‘ও কি গাড়িয়াল ভাই’, ‘মধুপুরের পোলা নোয়খাইল্যা মাইয়া’, ‘এক আকাশের তারা তুই’, ‘চুমকি’, ‘ওরে সালেকা’ এবং সর্বশেষ তার নিজের জনপ্রিয় সুপারহিট গান ‘দুষ্টু পোলাপাইন’ গানটি গেয়ে শ্রোতা-দর্শককে ভীষণ মুগ্ধ করেন। ঐশীর একের পর এক গানে দর্শক যেন পুরোটা সময় ছিল ভীষণ আনন্দিত, উচ্ছ্বসিত। শহীদ স্মৃতি অ্যালামনাইয়ের নতুন কমিটিও তার এ পারফরম্যান্সে ভীষণ খুশি। ঐশী বলেন, ‘এর আগে আরো একবার মধুপুরে এসেছিলাম। কিন্তু এক-দুটো গান গাওয়ার পর বৃষ্টি চলে আসায় আর পারফরম্যান্স করার সুযোগ হয়নি। কিন্তু এবার তেমন কিছু হয়নি। শহীদ স্মৃতি অ্যালামনাইয়ের হীরা ভাই, শাকিল ভাইসহ আরো যারা আছেন তাদের আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়েছি আমি। আমিও চেষ্টা করেছি এবার গানে গানে সবার মধ্যে মুগ্ধতা ছড়াতে। সবচেয়ে ভালো লেগেছে সবাই যে আমার গান ভীষণ উপভোগ করেছেন তা তাদের রেসপন্স দেখেই আমি বুঝতে পেরেছি।’