সবসময় আমরা দেখি দুর্যোগ এলে আমাদের সুন্দরবনের প্রতি ভালোবাসা বেড়ে যায়। দুর্যোগ চলে গেলে (সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড়) সুন্দরবন নিয়ে আমাদের আর মাথাব্যথা থাকে না। আমাদের সব অত্যাচার সুন্দরবন নিয়ে। এলএনজি প্লান্ট, কয়লাভিত্তিক প্লান্ট, কয়লার সরবরাহও সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে করা হয়। যদি সুন্দরবন না থাকত তাহলে রেমালে ঝুঁকির মাত্রাটা ব্যাপক পরিমাণে বাড়ত। সুতরাং যা অত্যাচার করছি সুন্দরবন নিয়ে তা এখন আমাদের বন্ধ করে দিতে হবে। তথাকথিত উন্নয়নের আমাদের দরকার নেই। আমাদের এখন বাঁচা দরকার।
রাজধানীর প্রেস ক্লাবে গতকাল ‘গ্রোয়িং ডিজাস্টার্স উইথ এক্সট্রিম হিট: রেসপন্স ও রেজিলিয়েন্স পার্সপেক্টিভ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন বক্তারা। সভাটির আয়োজন করে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ, সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিল উই মিন গ্রিন ও সচেতন ফাউন্ডেশন।
আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল দেশের হিট ওয়েভ মোকাবেলা করা ও স্বল্প আয়ের মানুষদের কীভাবে সাহায্য করা যায়। এছাড়া অতিরিক্ত তাপপ্রবাহের প্রভাব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে অবগত করা। আলোচনার শুরুতে সম্প্রতি আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় রিমাল নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র উপস্থাপন করা হয়।
আলোচনা সভার শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের প্রধান মো. জাকির হোসেন খান। তিনি বলেন, ‘একটা সময় বাংলাদেশে দুর্যোগ মানে মনে করা হতো সাইক্লোন বা বন্যাকে। তবে এখন তা পরিবর্তন হচ্ছে। আজ থেকে ৩০ বছর আগে ঢাকায় বায়ুদূষণ ছিল না। আমাদের দুর্যোগের যে সংজ্ঞা এখন যা চিন্তা করছি আজ থেকে ৩০ বা ৪০ বছর আগে যা চিন্তা করতাম তার সঙ্গে সুস্পষ্ট ব্যবধান আছে।’










