গত ২৪ ঘণ্টায় ফরিদপুরের পদ্মা নদীর অংশে পানি বৃদ্ধি ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। জেলার ‍মূল পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপৎসীমার ৬১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। 

বন্যার কারণে সদর উপজেলার ডিক্রিরচর, নর্থচ্যানেল, চরমাধবদিয়া ও আলিয়াবাদ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে জনমানুষে ভোগান্তি বেড়েছে। এ ছাড়া সদরপুর ও চরভদ্রাসন উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে পানি ঢুকে প্রায় ৬০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। 

পদ্মার তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের হাজারো মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। বন্যার কারণে জেলার বিস্তীর্ণ এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে ধান ও সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক স্থানে জিও ব্যাগ ফেলে দুর্ভোগ কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। 

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহামুদ এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘ক্ষয়-ক্ষতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখছি।’