তিনি বলেছেন, আইন সবার জন্য সমান। তাই এমন একটি বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যা প্রতিহিংসামূলক নয়; বরং ন্যায়বিচারের প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম কোর্ট হিলে জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত ‘রক্তলাল জুলাই ও নতুন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা, চিত্রপ্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মীর হেলাল বলেন, ‘আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানানো সম্ভব।’ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণহত্যাসহ গত ১৭ বছরে সংঘটিত গুম, খুন ও নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের প্রচলিত আইনের আওতায় স্বাভাবিক বিচারিক প্রক্রিয়ায় বিচারের মুখোমুখি করা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে স্বজন হারানো পরিবারগুলোর প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। অপরাধীরা প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ায় বিচারের আওতায় এসে শাস্তি পাবে।’

অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন স্থিরচিত্র নিয়ে আয়োজিত প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন মীর হেলাল। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু সুফিয়ান। এছাড়া বক্তব্য দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মঈনুদ্দীন ও সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. নজরুল ইসলাম।