তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ জনগণের ওপর বিনিয়োগেরই প্রতিফলন। এসব উদ্যোগের ইতিবাচক প্রভাব মানুষের জীবনমান উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।’ 

গতকাল বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) অডিটোরিয়ামে ‘অভ্যুত্থান-উত্তর বাংলাদেশের রাজনৈতিক উত্তরণ কোন পথে’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। অ্যালায়েন্স ফর মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস (আমরা) এ আলোচনার আয়োজন করে।

ফারজানা শারমীন বলেন, ‘সরকারের খাল খনন কর্মসূচি নিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন। তবে খরার মৌসুমে পানির সংকট দেখা দিলে এ ধরনের উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা বোঝা যাবে। বিভিন্নভাবে ভেঙে পড়া বাংলাদেশকে নিজের পায়ে দাঁড় করাতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। দেশের মেরুদণ্ড শক্তিশালী করাই সরকারের লক্ষ্য, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ আরো অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে।’ 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র ও শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে মানুষের প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল মানবাধিকার ও বাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে সরকারের জনগণের কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।’ 

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এএএম সালেহ (সালেহ শিবলী) বলেন, ‘রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন শুরু হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তা শুরু হয়েছে। দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে।’