ফিলিস্তিনের জনগণের সহায়তায় ঈদের বোনাস থেকে ৩৭ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও কর্মীরা। বুধবার (৩ এপ্রিল) বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের
রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রামাদানের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির
পক্ষে অনুদানের চেক হস্তান্তর এবং সংহতিপত্র তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য
প্রফেসর সৈয়দ মাহফুজুল আজিজ। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে প্রফেসর সৈয়দ মাহফুজুল আজিজ বলেন,
"সামাজিক ন্যায়বিচার, সহানুভূতি এবং মানবাধিকার রক্ষায় নিবেদিত একটি প্রতিষ্ঠান
হিসেবে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ফিলিস্তিনবাসীদের পাশে রয়েছে। বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষই
মনে করে ফিলিস্তিনে যেটা হচ্ছে তা মানববতাবিরোধী অপরাধ। স্বাধীনতা, আত্মমর্যাদা এবং
শান্তিপূর্ণ জীবনের জন্য আমরা ফিলিস্তিনবাসীর লড়াইকে সমর্থন জানাই। তাদের বিরুদ্ধে
সংঘটিত সকল প্রকার নিপীড়ন ও অপরাধের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এর অবসান চাই।
এই সংকটপূর্ণ সময়ে সবাইকে ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান
তিনি।
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে ইউসুফ এস ওয়াই রামাদান বলেন,
আপনারা ফিলিস্তিনের জন্য যা করেছেন সেজন্য আমরা আমরা আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। আমাদের
প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বেশি করেছেন আপনারা।
তিনি আরো বলেন, আপনি ফিলিস্তিনের জনগণের জন্য কত টাকা দান করেছেন
তার চেয়ে বড় বিষয় হলো আপনি যখন আমাদের সম্পর্কে ভেবেছিলেন সেটাই আমাদের কাছে অনেক বড়
পাওয়া। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের জনগণ জানবে যে, তারা আর একা নয়। তাদের সাহায্য করার
জন্য বিশ্বব্যাপী তাদের ভাই-বোনেরা রয়েছে।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারপারসন,
শিক্ষকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার
ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিসের ডিরেক্টর (রিসার্চ) ড. এম সানজীব হোসেন। অনুষ্ঠানে সংহতিপত্র
পাঠ করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড। অনুষ্ঠান শেষে ফিলিস্তিনসহ
ও বিশ্বের নির্যাতিত মানুষের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির
ডিরেক্টর অফ কমিউনিকেশন্স খায়রুল বাশার।










