পেশাগত সব সমস্যা সমাধানে সাংবাদিক নেতাদের প্রস্তাব ও সহযোগিতা কামনা করে মন্ত্রী বলেন, ‘একটি কার্যকর রোডম্যাপ তৈরির মাধ্যমে আমরা পাহাড়সম সমস্যার জট খুলতে চাই।’
গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিল-পরবর্তী এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ক্র্যাব সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এমএম বাদশা। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও ক্র্যাব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের ওয়েজ বোর্ড ও পেশাগত ঝুঁকির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন বা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ‘‘রুলস অব বিজনেস’’ ও আইনি কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সরাসরি আইন প্রয়োগের ক্ষমতা থাকে না। আমরা এই সীমাবদ্ধতাগুলো চিহ্নিত করছি। প্রয়োজনে ‘‘রুলস অব বিজনেস’’ পুনর্মূল্যায়ন ও তথ্য মন্ত্রণালয়কে সময়োপযোগী সংস্কার করার মাধ্যমে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে।’
ডিজিটাল অধিকার নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখনকার যুগে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষার বাইরেও ডিজিটাল সার্ভিস মানুষের ফান্ডামেন্টাল রাইটের (মৌলিক অধিকার) মধ্যে ঢুকে গিয়েছে। আমাদের সরকার যেহেতু বিজনেস মিন করে, তাই আমরা আগে সমস্যার গভীরে গিয়ে রোগটা বুঝতে চাচ্ছি।’
সাংবাদিকতার পেশাদারত্ব রক্ষা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃত সংবাদকর্মীদের পক্ষ থেকেই অভিযোগ আসছে যে অনেকে সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে অনৈতিক কাজ করছে। এসব বিশৃঙ্খলা দূর করে প্রকৃত সাংবাদিকদের অধিকার সুরক্ষায় মালিক পক্ষ ও সাংবাদিক ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে দ্রুতই মতবিনিময় করা হবে।’










