দেশের চার জেলা সিলেট, লালমনিরহাট, টাঙ্গাইল ও ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল দিনের বিভিন্ন সময়ে এবং আগের দিন রাতে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে— 

সিলেট: জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে গতকাল পিকআপ ভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো দুজন। দুপুরে উপজেলার লালাবাজার ভরাউটের রাস্তার মুখে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে নিহতরা হলেন বিশ্বনাথ উপজেলার ইলিমপুর গ্রামের সোনা মিয়ার স্ত্রী নাজমা বেগম (১৮) এবং একই উপজেলার বহ্নি গ্রামের ধনাই আলীর ছেলে সিএনজিচালক মনসুর আলী। স্থানীয়রা জানান, দুপুরে সিলেট থেকে লালাবাজারের দিকে ছেড়ে যাওয়া একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ হলে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় হতাহতের ঘটনা ঘটে। 

লালমনিরহাট: জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় গতকাল কাভার্ড ভ্যান-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ইজিবাইকের আরো পাঁচ যাত্রী। সকালে লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কের কাকিনা ওয়াবদা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সোহেল রানা (২৫) উপজেলার ভোটমারী শৌলমারি গ্রামের মনোয়ার হোসেনের পুত্র।

টাঙ্গাইল: জেলার ভূঞাপুরে মসজিদে ইমামতি করতে যাওয়ার পথে গাড়ির ধাক্কায় রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ভোরে ভূঞাপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাওলানা রফিকুল ইসলাম (৫০) উপজেলার পাথাইলকান্দি গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে। তিনি নিকরাইল ইউনিয়নের খাশবিয়ারা দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি সারপলশিয়া তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদে ইমামতি করতেন। 

ফরিদপুর: জেলার ভাঙ্গায় বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ট্রাকচালক শহিদুল ইসলাম রনি (৩৫) নিহত হয়েছেন। বুধবার রাত আড়াইটার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শহিদুল ইসলাম রনি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার চর সিয়তা গ্রামের মো. আমজেদ হোসেনের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, রাতে মুনসুরাবাদ বাসস্ট্যান্ডে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সোহাগ পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ঢাকা থেকে খুলনাগামী একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ট্রাকচালক শহিদুল ইসলাম রনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।