জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, দিবা পরিচর্যা কেন্দ্র শুধু শিশুদের নিরাপদে রাখার স্থান নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তিনি বলেন, মানসম্মত ও সার্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে শিশুর জ্ঞান ও সামাজিক বিকাশের শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়।

আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) পরিদর্শন এবং পরে পানি ভবনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, শৈশব জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এ সময়েই একজন শিশুর ভবিষ্যৎ বিকাশের ভিত্তি নির্মিত হয়। এ কারণে দিবা পরিচর্যা কেন্দ্রগুলোকে শুধু শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রতিষ্ঠান হিসেবেও বিবেচনা করা উচিত।

শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তোমরা জাতির ভবিষ্যৎ এবং আগামীর বাংলাদেশ। লেখাপড়ার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলে দেশের মুখ উজ্জ্বল করার আহ্বান জানান তিনি।

কর্মশালায় তিনি দিবা পরিচর্যা কেন্দ্রের কেয়ারগিভারদের মানবিক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ১৯৯২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উদ্যোগে দেশে ছয়টি ডে কেয়ার সেন্টার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ কার্যক্রমের সূচনা হয়।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলাই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। ‘আমি নয়, আমরা’ এবং ‘করব কাজ, গড়ব দেশ—সবার জন্য বাংলাদেশ’ স্লোগান বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। এছাড়া মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ. কে. এম. শাহাবুদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।