রাজশাহীতে
আওয়ামী লীগ নেতা আতিকুর রহমান কালুর বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন ও অবৈধ সম্পদ
অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তার বিরুদ্ধে
১ কোটি ৫৩ লাখ ৬
হাজার ৫১৫ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের
তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া আরো ১ কোটি ৪৭
লাখ ৪ হাজার ৪২১
টাকা মূল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আছে। গতকাল দুদকের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম মামলাটি করেন।
আতিকুর রহমান কালু নগরীর রানীবাজার তৈমুস হোসেনের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নগরীর বোয়ালিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতির পদে রয়েছেন। রাজশাহী সিটি হাটেরও ইজারাদার কালু।
দুদকের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে আতিকুর রহমান কালু ১ কোটি ৫৩ লাখ ৬ হাজার ৫১৫ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া অবৈধ উপায়ে অর্জিত ও তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ১ কোটি ৪৭ লাখ ৪ হাজার ৪২১ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে, যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’
দুদক জানায়, অনুসন্ধানকালে আতিকুর রহমান কালুর নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের সত্যতা পায় দুদকের প্রধান কার্যালয়। গত বছরের ২৮ নভেম্বর তার সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারি হয়। ওই বছরের ১৬ জানুয়ারি তিনি দুদকের বিভাগীয় কার্যালয়ে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। তাতে তিনি ৯ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৯১৭ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য দেন। পরে যাচাইয়ে তার নামে মোট ১১ কোটি ১৪ লাখা ৫৭ হাজার ৪৩২ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। আতিকুর রহমান কালু ১ কোটি ৫৩ লাখ ৬ হাজার ৫১৫ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ঘোষণা দেন।
অন্যদিকে আতিকুর রহমান কালুর নামে ৫ কোটি ৭৮ লাখ ৮০ হাজার ৪৩৯ টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পদ এবং ৫ কোটি ৩৫ লাখ ৭৬ হাজার ৯৯৩ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। তিনি ১ কোটি ৪৭ লাখ ৪ হাজার ৪২১ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে দখলে রেখেছেন। গত ২৬ জুলাই আতিকুর রহমান কালুর বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দেয় দুদকের প্রধান কার্যালয়। এর পরই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়।









