কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ঝড়ের তাণ্ডবে অন্তত ৬০টি পরিবারের বসতবাড়ি, টিনশেডের একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন লণ্ডভণ্ড হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভুট্টা ও বোরো খেত।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল ভোরে হঠাৎ উত্তর দিক থেকে আসা গরম ঝড়ো বাতাস বইতে শুরু করে। এ সময় ঝড়ের আঘাতে ইউনিয়নের রবি ঠাকুর, শাহ পরান, পারভেজ, ইনছাফ আলী, শফিকুল, দুলালসহ অন্তত ৬০টি পরিবারের বসতবাড়ি ও দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চর খেদাইমারী প্রাথমিক বিদ্যালয় বিধ্বস্ত হয়। এ সময় বেশকিছু ভুট্টা ও বোরো খেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
নয়ারহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু জানান, ভোরের আকস্মিক ঝড়ে তার নিজের বসতবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নয়ারহাট ইউনিয়নের আবুল হোসেন জানান, ফজরের নামাজের পর হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড়ে চোখের পলকে উড়ে যায় দক্ষিণ খাউরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনসহ কয়েকটি দোকান।
নয়ারহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ খাউরিয়া এলাকার নীল চাদ ব্যাপারি বলেন, ঝড়ের কবলে কয়েক মিনিটের মধ্যে আমার ঘরবাড়ি তছনছ হয়।
নয়ারহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফা বলেন, ঝড়ে ইউনিয়নে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
চিলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান বলেন, ঝড়ের বিষয়টি স্থানীয়দের কাছ থেকে জেনেছি। খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সবুর হোসেন বলেন, চিলমারীর ঝড়ের বিষয়টি শুনেছি। তবে কুড়িগ্রাম জেলায় শনিবার দুপুর ১২টা থেকে গতকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত ১১১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। রংপুর বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ বৃষ্টি হতে পারে।









