রাঙ্গামাটির সাজেকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ও ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) মধ্যে আবারো গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাজেক ইউনিয়নের লাঙলমারা এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গোলাগুলি হয়। এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে অবরোধ একদিনের জন্য শিথিল থাকলেও পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটে খাগড়াছড়ির সঙ্গে সাজেকসহ আশপাশের এলাকার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, গোলাগুলির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রয়োজন ছাড়া অনেকে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। এর আগে শনিবার দুপুরেও সাজেক ইউনিয়নের কলাবুনিয়া এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।

এদিকে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের টানা অবরোধ কর্মসূচি একদিনের জন্য শিথিল ছিল। তবে পরিবহন খাতের মালিক ও শ্রমিকদের সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘটের কারণে সকাল ৬টা থেকে খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা, মারিশ্যা, সাজেক ও লংগদু সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। বিভিন্ন স্থানে সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ধর্মঘট পালন করেন তারা।

তবে গোলাগুলির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে দুই পক্ষই। জেএসএসের কেন্দ্রীয় সহ-তথ্য ও প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা বলেন, গোলাগুলির কোনো খবর তিনি পাননি এবং এতে জেএসএসের জড়িত থাকার প্রশ্ন আসে না। ইউপিডিএফের মুখপাত্র অংগ্য মারমাও সংগঠনটির জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ইউপিডিএফ একটি গণতান্ত্রিক সংগঠন এবং তাদের কোনো সশস্ত্র সংগঠন নেই।