এতদিন মার্চেন্ট পর্যায়ে একক বাংলা কিউআর চালু থাকলেও আজ রোববার থেকে ব্যক্তি পর্যায়েও চালু হয়েছে এ কিউআর। এর ফলে এখন থেকে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পিটুপি) পর্যায়ে লেনদেন করতে ফোন বা অ্যাকাউন্ট নাম্বার প্রয়োজন হবে না। আজ বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, বাংলাদেশের ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থায় নতুন সংযোজন হিসেবে যোগ হয়েছে বাংলা কিউআরভিত্তিক পিটুপি লেনদেন সেবা। এর মাধ্যমে একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির কিউআর কোড স্ক্যান করে সহজে, দ্রুত ও নিরাপদে অর্থ পাঠাতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, দৈনন্দিন লেনদেনে নগদ অর্থের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার বাড়াতে বাংলা কিউআর ভিত্তিক এ সেবা সহায়ক হবে। এ উদ্যোগ দেশের পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক করার পাশাপাশি নগদবিহীন লেনদেনের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

২০২৩ সালের ১৮ জানুয়ারি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে চালু হয় ‘বাংলা কিউআর’। পরবর্তীতে প্রায় সব ব্যাংক, এমএফএস (মোবাইল ভিত্তিক আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান), পিএসপি (পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার) ও পিএসও (পেমেন্ট সার্ভিস অপারেটর) এ সেবার আওতায় আসলেও বাংলা কিউআরের জনপ্রিয়তা দেখা যাচ্ছিল না। শেষ পর্যন্ত চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে সব মার্চেন্টে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর এ মাধ্যমে লেনদেনের পরিধি বাড়তে থাকে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্ট মাসে এমএফএস মাধ্যমে প্রায় ৬৯ লাখ লেনদেন সম্পন্ন হয় বাংলা কিউআর ব্যবহার করে। এসব লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৮৮৩ কোটি টাকা। একই সময়ে ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ৫ লাখ ৮৬ হাজার বাংলা কিউআর লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৯১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা।