কক্সবাজারের মহেশখালীর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ভাসমান একটি টার্মিনালের কার্যক্রম রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য চারদিন বন্ধ থাকবে। এ কারণে এই সময়ে দেশের গ্যাস গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ কমবে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
এতে জানানো হয়, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামী ৪ নভেম্বর সকাল ৮ টা থেকে ৭ নভেম্বর বিকাল ৪টা পর্যন্ত সামিটের এলএনজি টার্মিনালের রিগ্যাসিফিকেশন (এলএনজি সরবরাহ) কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এ সময়ে জাতীয় গ্রিডে ৩২০ মিলিয়ট ঘনফুট গ্যাস হ্রাস পাবে। এ কারণে সারা দেশে গ্রাহকপ্রান্তে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকবে।
বর্তমান জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাসের সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট। ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস হ্রাস পেয়ে গ্রিডে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ হবে। এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে টার্মিনালটি রক্ষণাবেক্ষণে নেয়া হয়েছিল। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য পেট্রোবাংলা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
দেশে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। দুটি টার্মিনালের দৈনিক এলএনজি সরবরাহ সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট। দেশে বর্তমানে দৈনিক ২ হাজার ৫২০ মিলিয়ট ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে। এরমধ্যে ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি।










