একটা গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির শ্রমিকেরও যে পরিমাণ কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা (জব সিকিউরিটি) আছে, অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সেই নিরাপত্তা নেই। মালিক পক্ষ সাংবাদিকদের বেতন দিতে বাধ্য থাকবে না—এমন কোনো আইনের মধ্যে এ শিল্প চলতে পারে না। মালিকের লাভ হয়নি বলে একজন মেধাবী সাংবাদিকের বেতন হবে না, এটা হতে পারে না। এ সমস্যাগুলোর সমাধান না করলে গণমাধ্যম জগৎ কখনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পাবে না।’
গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত ইফতার মাহফিল-পরবর্তী ডিআরইউ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘ওয়েজ বোর্ড বাস্তবায়ন এবং পত্রিকা নিবন্ধনের সামগ্রিক পরিস্থিতির জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থেরই অংশ। সরকার কেবল প্রশংসা পকেটে ভরবে আর ভুলের সমালোচনার দায়িত্ব নেবে—তা হতে পারে না। মন্ত্রণালয়ের প্রধান অংশীদার গণমাধ্যম, তাই সমস্যাটা আমাদের একই চশমা দিয়ে দেখতে হবে। রোগের ডায়াগনোসিস রাইটলি না হলে ট্রিটমেন্ট হবে না।’
মন্ত্রী গণমাধ্যম শিল্পের সমস্যা সমাধানে ঐকমত্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, অচিরেই সাংবাদিকদের সব ইউনিয়ন ও সংগঠনগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় শুরু হবে।
প্রতিটি সংগঠন থেকে তিন থেকে পাঁচজন বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি চেয়ে তিনি বলেন, ‘যাদের স্টাডি ও পর্যবেক্ষণ করার গভীরতা আছে, তারা সমস্যার সঠিক চিহ্নিতকরণ ও কার্যকর সমাধান করার প্রস্তাব করতে পারেন।’
বিজ্ঞাপন ও সরকারি অনুদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘নীতিমালাবহির্ভূতভাবে সরকারি অর্থ খরচ করা যাবে না। আমি জমিদার নই যে যাকে খুশি তাকে দেব। আমরা খুব দ্রুত একটা নীতিমালার মধ্যে ঢুকবই।’
ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল।










