আসন্ন
রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) কতটা অংশগ্রহণমূলক, তা নিয়ে প্রশ্ন
তুলেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। রাজশাহীতে গতকাল দুপুরের দিকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন।
রাসিক নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তথ্য উপস্থাপন এবং অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন
অনুষ্ঠানের আহ্বান জানিয়ে নগরীর একটি রেস্তোরাঁয় এ সংবাদ সম্মেলন
আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সুজনের রাজশাহী নগর সভাপতি পিয়ার বক্স।
লিখিত বক্তব্যে দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ‘বিএনপিসহ বেশকিছু রাজনৈতিক দল অংশ না নেয়ায় রাজনৈতিক দলভিত্তিক এ নির্বাচন কতটা অংশগ্রহণমূলক, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই বিবেচনায় ভবিষ্যতে এ নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও ছোটখাটো অভিযোগ উঠলেও গাজীপুর, বরিশাল ও খুলনা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সামগ্রিকভাবে সুষ্ঠু হয়েছে বলে মনে করে সুজন। একই সঙ্গে বরিশালের ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় ইসলামী আন্দোলন সিলেট ও রাজশাহীর নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়ায় এ দুটি নির্বাচন আরো প্রতিযোগিতাহীন হয়ে পড়বে।’
সংবাদ সম্মেলনে ১২ পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, মামলা, প্রার্থী ও নির্ভরশীলদের বার্ষিক আয়, প্রার্থীদের বার্ষিক আয়, মেয়র প্রার্থীদের সম্পদের পরিমাণ, প্রার্থীদের দায়দেনা, আয়করের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সুজনের তথ্যানুযায়ী রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ২০১৮ সালের নির্বাচনের চেয়ে এবার উচ্চশিক্ষিত প্রার্থী ও ব্যবসায়ী প্রার্থীর হার বেড়েছে। গত নির্বাচনের চেয়ে এ নির্বাচনে প্রার্থীদের মামলার হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। নির্বাচনে চারজন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের বার্ষিক আয় ৫ লাখ টাকার কম আর একজনের ৫ কোটি টাকার অধিক। তিনজন মেয়র প্রার্থীর আয়করের তথ্য পাওয়া গেছে। তার মধ্যে দুজন ৪ হাজার টাকা কর দিয়েছেন আর একজন (এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন) দিয়েছেন ৫১ লাখ টাকা।
সংবাদ সম্মেলনে অতিথি ছিলেন সুজনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য আহমদ সফিউদ্দিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলার সমন্বয়কারী মিজানুর রহমান।









