তিনি বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশগুলো যাতে শিশু, নারী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষায় বিনিয়োগ অব্যাহত রাখতে পারে এবং একই সঙ্গে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের অগ্রগতি ধরে রাখতে পারে, সেজন্য এ ধরনের উদ্যোগ জরুরি।’
গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিউইয়র্কে ইউনিসেফ হাউজে ইউনিসেফের মানবিক কার্যক্রম ও সরবরাহ কার্যক্রমবিষয়ক উপনির্বাহী পরিচালক টেড শাইবানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. তিতুমীর বলেন, ‘জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং ঋণের বাড়তি বোঝা বাংলাদেশের আর্থিক সক্ষমতার পরিসর উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও সরকার ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ দর্শনের আলোকে একটি গণতান্ত্রিক মানবকল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকার সর্বজনীন জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। যেখানে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে নারী।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ উদ্যোগের মাধ্যমে নারীপ্রধান পরিবারকে সহায়তা দেয়া হবে। পাশাপাশি গর্ভাবস্থা, শৈশব, শিক্ষা, প্রতিবন্ধিতা ও বার্ধক্যসহ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।’
বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী নির্ভরযোগ্য ও সমন্বিত তথ্য ব্যবস্থার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি সরকারের প্রস্তাবিত ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান কার্ড, ওয়ান নম্বর অ্যান্ড ওয়ান ওয়ালেট’ কৌশলের কথা তুলে ধরেন। এ কৌশলের মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন, বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং সরকারি সেবায় মানুষের প্রবেশাধিকার আরো সহজ হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
জোনায়েদ সাকি শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সক্ষমতা বাড়াতে ডিজিটাল প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা উপকরণ ব্যবহারে ইউনিসেফের সহযোগিতাও কামনা করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বহুভাষাভিত্তিক শিক্ষা, খেলাধুলা, সংস্কৃতি, জাদুঘর পরিদর্শন এবং সহশিক্ষা কার্যক্রম শিশুদের সার্বিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।’
ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক টেড শাইবান বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়াকে স্বাগত জানান।










