নানা জটিলতা ও দীর্ঘ অপেক্ষার পর কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে প্রথম দিন থেকেই অনুমতি পাওয়া জাহাজগুলো দ্বীপের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে।

অনুমতি পাওয়া তিন জাহাজ হলো এমভি বার আউলিয়া, এমভি কর্ণফুলি ও এমভি টেকনাফ। এর মধ্যে যাত্রী পাওয়া সাপেক্ষে এমভি টেকনাফ যাত্রা করবে ৬ নভেম্বর। জাহাজের পরিচালক আকতার নুর জানান, আজ থেকেই টিকেট কাটা যাবে এমভি টেকনাফের।

আর সরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের সম্মতিতে এমভি বার আউলিয়া ও এমভি কর্ণফুলির চলাচলের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ মালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর বলেন, পর্যটকের সংখ্যা যতই হোক, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জাহাজ চলাচল শুরু করার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় সব অনুমোদন পাওয়া গেছে। এখন যাত্রী হলে দুইটা যাবে না হলে একটা দিয়ে নিয়মিতভাবে পর্যটক পরিবহনের কার্যক্রম শুরু হবে।

নৌ পরিবহন অধিদপ্তর ও পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন পাওয়া তিনটি জাহাজের মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে এমভি বার আউলিয়ার ধারণক্ষমতা ৮৫০ জন, এমভি কর্ণফুলির ৭৩২ জন এবং এমভি টেকনাফের ৭১৬ জন।

সংশ্লিষ্টদের দেয়া সময়সূচি অনুযায়ী, এমভি বার আউলিয়া সকাল ৭টায় কক্সবাজার শহরের বাঁকখালী নদীর নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবে। দ্বীপ থেকে ফিরবে বেলা আড়াইটায়। এমভি কর্ণফুলি সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে যাত্রা করে ফিরবে বেলা ২টা ১৫ মিনিটে। আর এমভি টেকনাফ সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে যাত্রা করে সেন্টমার্টিন থেকে ফিরবে বিকেল সাড়ে ৩টায়।

সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা তৈয়ব উল্লাহ ও নুর মোহাম্মদ জানান, পর্যটকবাহী জাহাজ আসার খবরে উৎফুল্ল হয়ে আছেন দ্বীপবাসী। জিনজিরার মানুষ আসলে পর্যটকনির্ভর হওয়ায় মৌসুম শুরু হলে অনেক খুশি হয়। এখানকার হোটেল রিসোর্ট প্রস্তুত করা হয়েছে।