আগামী তিন অর্থবছরের জন্য
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সেবার সাত খাতের জন্য কর মওকুফের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী
আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এতে আগামী ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত এ সুবিধা পাবে
প্রযুক্তি সেবাদাতারা। বৃহস্পতিবার (৬ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে তিনি
এ প্রস্তাব করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, স্মার্ট
বাংলাদেশ বিনির্মাণে নিম্নবর্ণিত আইটি সেবাসহ অন্যান্য কতিপয় খাতে ১ জুলাই ২০২৪ হতে
৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত অর্জিত আয়কে করমুক্ত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে
এআই বেজড সলিউশন ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ব্লকচেইন বেজড সলিউশন ডেভেলপমেন্ট,
রোবোটিক্স প্রসেস আউটসোর্সিং, সফটওয়্যার অ্যাজ আ সার্ভিস, সাইবার সিকিউরিটি সার্ভিস,
ডিজিটাল ডেটা এনালাইটিক্স ও ডেটা সায়েন্স, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস
ইত্যাদি।
মন্ত্রী বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশের দর্শনকে দর্পণে রূপান্তরের লক্ষ্যে
সব খাতে আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। চতুর্থ
শিল্প বিপ্লব উপযোগী ভৌত, সামাজিক ও প্রযুক্তি অবকাঠামো বিনির্মাণের প্রতি জোর দেয়া
হয়েছে যাতে স্মার্ট সমাজ, স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সরকার এবং সর্বোপরি স্মার্ট অর্থনীতির
সুফল দেশের সর্বশেষ প্রান্তে থাকা নাগরিকের কাছেও আমরা পৌঁছে দিতে পারি।
দেশে ওয়েবভিত্তিক কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ প্রসারিত হয়েছে জানিয়ে
তিনি বলেন, ইন্টারনেটের মূল্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণে হ্রাস করার ফলে ওয়েবভিত্তিক কর্মসংস্থান
ও ব্যবসার সুযোগ প্রসারিত হয়েছে। ২০০৮ সালে প্রতি এমবিপিএস ফিক্সড ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ
এর সর্বনিম্ন মূল্য ছিল ২৭ হাজার টাকা, বর্তমানে মাত্র ৬০ টাকা। স্বল্পমূল্যে উচ্চ
গতির ইন্টারনেট ইউনিয়ন পর্যন্ত বিস্তৃত করা হয়েছে। আইসিটি খাতে রফতানির পরিমাণ আগামী
৫ বছরের মধ্যে ৫ বিলিয়ন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করা হবে।










