চট্টগ্রামে ইসলামী ব্যাংকের লকার থেকে গ্রাহকের স্বর্ণালংকার গায়েবের দাবি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ব্যাংকের মতে, লকার থেকে এই ধরনের চুরির কোনো সুযোগ নেই। গত বুধবার নগরীর চকবাজার শাখার লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েবের দাবি করেন এক গ্রাহক। ঘটনাটি ওই দিন দুপুরে ঘটলেও শনিবার রাতে বিষয়টি জানাজানি হয়।
ওই গ্রাহকের দাবি, গত বুধবার বেলা দেড়টার দিকে তিনি ওই ব্যাংকের লকার থেকে কিছু স্বর্ণালংকার আনতে যান। এ সময় লকারের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন, লকারটি আংশিক খোলা অবস্থায় রয়েছে। ভেতরে ১০-১১ ভরি স্বর্ণ পাওয়া যায়। বাকি ১৪৯ ভরি স্বর্ণ গায়েব। বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকের কর্মকর্তাদের জানানো হয়।
এ বিষয়ে ইসলামী ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম জানান, ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখার গ্রাহক যৌথ নামে ২০০৬ সাল থেকে ব্যাংকের একটি লকার ব্যবহার করে আসছেন। প্রতিটি লকার খোলার জন্য দুটি চাবির প্রয়োজন হয়। যার একটি গ্রাহক ও অন্যটি ব্যাংকের কাছে থাকে। গ্রাহকের চাবি ব্যতীত শুধু ব্যাংকে রাখা চাবি দিয়ে কোনোভাবে লকার খোলা সম্ভব নয়। ব্যাংকিং নিয়ম অনুযায়ী গ্রাহককে তার লকারের মূল চাবি বুঝিয়ে দেয়া হয়। লকারে রাখা পণ্য ও তার পরিমাণ সম্পর্কে একমাত্র গ্রাহক ব্যতীত ব্যাংকার বা অন্য কোনো ব্যক্তির জানার সুযোগ নেই। গত ৮ এপ্রিল ওই গ্রাহক লকার ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে আসেন। ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রাহকের উপস্থিতিতে মাস্টার চাবি দিয়ে লকার আনলক করেন। পরবর্তী সময়ে গ্রাহক যথারীতি তার চাবি ব্যবহার করে পরিপূর্ণভাবে লকার খুলে তার কাজ শেষে লকার বন্ধ করে ব্যাংকারকে জানিয়ে চলে যান। যেহেতু লকার হোল্ডারের চাবি দিয়ে বন্ধ করা হয়, সেহেতু লকার বন্ধ করার সময় নিয়ম মোতাবেক ব্যাংকের কারো উপস্থিত থাকার সুযোগ নেই। একমাত্র তিনিই তার লকার বন্ধ করতে পারেন।










