মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাটে ডুবে যাওয়া আমানত শাহ ফেরিটি টেনে তোলা হয়েছে। তবে ফেরিটি পুরোপুরি উদ্ধারে আরো দুদিন সময় লাগবে।
আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সোমবার প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর ফেরিটি টেনে তোলে জেনুইন এন্টারপ্রাইজের পাঁচটি ভ্যাজেল উইন্স বার্জ।
জানা গেছে, কাত হওয়া ফেরিটি সোজা করার পর উদ্ধার সংশ্লিষ্টরা সেটির নিচের অংশে বেশ বড় কয়েকটি ফুটো দেখতে পান। যে কারণে ফেরিটিকে এখনই পাড়ে তুলে ফেলা সম্ভব নয়। ফলে উদ্ধার কাজ আপাতত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তলদেশের ফুটো ঠিক করে পুনরায় ফেরিটিকে ভাসিয়ে তোলা হবে। এজন্যই মূলত দুদিন বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।
উদ্ধারকাজে নিয়োজিত নৌবাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়েজ বণিক বার্তাকে বলেন, ফেরিটির নিচে অনেক ফুটো থাকায় আপাতত তোলা যাচ্ছে না। আরো দুদিন সময় লাগবে।
এর আগে সকালে আমানত শাহ ফেরি উদ্ধার সংশ্লিষ্টরা জানান, বিকেল নাগাদ ফেরি উদ্ধার কাজ শেষ হবে। সকালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) প্রধান সমন্বয়ক ও যুগ্ম পরিচালক ফজলুর রহমান বণিক বার্তাকে জানান, ৫টি বার্জ উইন্স দিয়ে মোটা তার লাগিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। মাটির তলদেশের কাজ গত ৪ দিন ধরে শেষ করা হয়েছে। বিকেল নাগাদ ফেরি উদ্ধার করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) কাছে বুঝিয়ে দিতে পারবেন বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। জেনুইন এন্টারপ্রাইজের পরিচালক ইয়ার মোহাম্মদও একই আশা প্রকাশ করেন।
এর আগে গত শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে কাজ শুরু করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেনুইন এন্টারপ্রাইজের উদ্ধারকারী জলযান স্যালভেইজ উইন্স বার্জ মোহাম্মদ-২। তার আগে উদ্ধারকারী জলযান হামজা ও রুস্তম ফেরি তোলার চেষ্টা করেছিল। তবে, জাহাজ দুটি ব্যর্থ হয়। গত ২৭ অক্টোবর যান্ত্রিক ত্রুটি নিয়ে পাটুরিয়া ৫ নম্বর পন্টুনের প্রথম পকেটে ১৪টি পণ্যবোঝাই যানবাহন নিয়ে ডুবে যায় রো রো ফেরি আমানত শাহ।









