সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শীর্ষ পাঁচ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করার আদেশ তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে বরখাস্তের আদেশ কেন স্থায়ীভাবে বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। সোনালী ব্যাংকের প্রশাসক, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। গতকাল বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হক এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ স্থগিতাদেশ দেন।
সোনালী লাইফ থেকে বরখাস্ত কর্মকর্তারা হলেন অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল ইসলাম ও মঞ্জুর মোরশেদ, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহিল কাফি ও গোলাম মোস্তফা এবং সহকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মাদ আজিম। গত ৭ জুলাই আর্থিক অনিয়ম ও শৃঙ্খলা ভঙ্গসহ বিভিন্ন অভিযোগে তাদের বরখাস্ত করা হয়।
কর্মকর্তাদের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার সুমাইয়া ইফরিত বিনতে আহমেদ বলেন, ‘আদালতের এ রায়ের ফলে ওই পাঁচ কর্মকর্তার নিয়মিত অফিস করতে আর কোনো বাধা নেই।’
এর আগে গত ২১ এপ্রিল সোনালী লাইফের ১৮৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদকে বরখাস্ত করে অভিযোগটি খতিয়ে দেখতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এসএম ফেরদৌসকে দুই মাসের জন্য প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয় আইডিআরএ। তবে নিয়োগের পর থেকে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন না করে কোম্পানির নিয়মিত কাজে হস্তক্ষেপ করছেন বলে অভিযোগ করেন কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরই পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ পাঁচ নির্বাহীকে বরখাস্ত করা হয়।










