সময়মতো চশমা ব্যবহার করলে দৃষ্টিশক্তি রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। তিনি শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ এলাকায় চোখের সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি ও প্রবীণদের শনাক্ত করে ভিশন সেন্টারে নিয়ে আসার আহ্বান জানান।
গতকাল সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ‘জামিরতা ভিশন সেন্টার’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশের গ্রামপর্যায়ে আধুনিক চক্ষুসেবা পৌঁছে দেয়ার যে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে “জামিরতা ভিশন সেন্টার” তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ায় এখন শাহজাদপুরের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও ঢাকা বা নিউইয়র্কের মতো শহরের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছ থেকে টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে সরাসরি চক্ষু পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা নিতে পারবেন।’
তিনি জানান, দেশজুড়ে ২৫টি পরিবেশবান্ধব নারী নেতৃত্বাধীন ‘গ্রিন ভিশন সেন্টার’ স্থাপন করা হচ্ছে। সৌরবিদ্যুচ্চালিত এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘অরবিস ইন্টারন্যাশনালের “সাইবারসাইট” প্লাটফর্ম ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির সহায়তায় এসব কেন্দ্রে রিয়েল টাইম বিশেষজ্ঞ পরামর্শ, চোখের দৃষ্টি পরীক্ষা, চশমা সরবরাহ, গ্লুকোমা, ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি স্ক্রিনিংসহ আধুনিক চক্ষুসেবা দেয়া হবে।’
অনুষ্ঠানে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাবরিনা শারমিন, অরবিস ইন্টারন্যাশনালের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. মুনীর আহমেদসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ ও স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজক সূত্র জানায়, ‘জামিরতা ভিশন সেন্টার’ অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সহযোগিতা এবং আমুন্ড ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে পরিচালিত ‘ফিউচার ভিশন সেন্টার’ প্রকল্পের আওতায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রটি পরিচালনা করবে সিরাজগঞ্জের ‘প্রফেসর এমএ মতিন বিএনএসবি বেজ আই হসপিটাল’।










